kalerkantho

গোপালগঞ্জে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

হাজীদের দুর্ভোগ সমাধানের জন্য কাজ করে যাচ্ছি

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৮ মার্চ, ২০১৯ ২১:০৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হাজীদের দুর্ভোগ সমাধানের জন্য কাজ করে যাচ্ছি

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেছেন, কোনো কিছুর বিনিময়ে আল্লাহর মেহমানদের চোখ দিয়ে পানি পড়বে এটা সহ্য করা হবে না। হাজীরা এতোদিন বিভিন্ন ভাবে নিগৃহীত ও নির্যাতিত হয়েছে। এ বিষয়গুলো দূরীকরণের জন্য যা যা করা দরকার আমি তা সর্বতভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছি।

আজ সোমবার দুপুরে গোপালগঞ্জ ইসলামিক ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ৯৯ তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন ও জেলা পর্যয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, টঙ্গির বিশ্ব ইজতেমাটা অত্যন্ত সুন্দরভাবে সমাধান করতে পেরেছি। এটা শেষ করার সাথে সাথে আমি কঠিন ভাবে প্রতিজ্ঞা নিয়ে হজের কর্মকাণ্ড যাতে সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়, এই দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছি।

তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব নিয়েই সাথে সাথে সৌদি আরব গিয়েছি। সৌদি আরবের যে সব জায়গায় হজের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়, সেসব জায়গার সুযোগ সুবিধা নিয়ে সেখানকার হজ মন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি, যাতে হজ ব্যবস্থাপনাটা সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়। 

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রথম প্রথম ৬ হাজার হাজী বাংলাদেশ থেকে সৌদি আবর  যেতে পারতেন। বর্তমানে প্রতি বছর ১ লক্ষ ২৭ হাজার হাজী হজ করতে যাচ্ছেন। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কল্যাণে সম্ভব হয়েছে। আর বর্তমান সরকারের আমলে আমাদের দেশের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো হওয়ায় হাজীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। হঠাৎ করে হাজীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও সুযোগ সুবিধা অতো পরিমাণ বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়নি। যাতে সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করে হাজীদের অসুবিধা ও সমস্যার সমাধান করা যায়, এ ব্যাপারে আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি। 

হ্যাব প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হ্যাবের এজেন্সিগুলোই হজের বিভিন্ন কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। তাদের সাথে কথা বলে হাজীদের সমস্যাগুলো চিহৃত করেছি এবং সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। হ্যাবের দাবি ছিলো এজেন্সি প্রতি হাজীর সংখ্যা ১৫০ থেকে ১০০-তে নামিয়ে আনা। অতীতে অনেক এজেন্সি এই সংখ্যা জোগাড় করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের একটা বড় দাবি ছিলো ১০০ তে নামিয়ে আনা। প্রতি বছরই তারা এ দাবি করে আসছিলেন। আমি (প্রতিমন্ত্রী) আনন্দের সাথে জানাচ্ছি হ্যাবের দাবি যোক্তিক হওয়ায় হাজীদের সংখ্যা এজেন্সি প্রতি ১৫০ এর স্থলে ১০০ করা হলো। 

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী এমদাদুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আবু দাউদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক আবু ওবায়দা মো. মাকসুদুল হক, জাতীয় ইমাম সমিতির গোপালগঞ্জ শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুফতি আব্দুল্লাহ অল মামুন বক্তব্য রাখেন।

এ সময় আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ মো. রুহুল আমিন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাসুদ-সহ একশ’ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য