kalerkantho

পাথরঘাটায় ন্যাশনাল সার্ভিসের মানববন্ধন

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি   

১৮ মার্চ, ২০১৯ ১৭:১৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাথরঘাটায় ন্যাশনাল সার্ভিসের মানববন্ধন

বরগুনার পাথরঘাটায় যুবউন্নয়ন দপ্তরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বেকার যুবকগণ কর্মসংস্থান দাবি করে সরকারি চাকরির জন্য শহরের শেখ রাসেল স্কয়ারে সোমবার মানববন্ধন করেছেন। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তারা প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।

আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় চাকরির দাবিতে অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধন কর্মসূচীতে অংশ নেয় ন্যাশনাল সার্ভিসে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা প্রায় এক হাজার বেকার যুবক-যুবতী। বাংলাদেশ ন্যাশনাল সার্ভিস ঐক্য পরিষদ কর্মী ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচী শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে তারা প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।

পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হুমায়ুন কবির বলেন, তিনি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বেকার যুবকদের একটি স্মারকলিপি যথাযথ কর্তপক্ষের মাধ্যমে প্রেরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন ন্যাসনাল সার্ভিসের পাথরঘাটা উপজেলা সভাপতি মো. আব্দুল হামিদ মক্কি, সাধারণ সম্পাদক মো. আল আমিন, ন্যাসনাল সার্ভিসের কাকচিড়া ইউনিয়নের সহ-সভাপতি আরাফাত হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা শিল্পি কর্মকার, পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম কাকন, অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন সোহাগ, পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাফিজুর রহমান সোহাগ, নাজমুল হক রিয়াজ প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা জানান, ঘরেঘরে চাকরির সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার ২০১০ সালে যুবউন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে পাথরঘাটা উপজেলায় ১,৮৪২ জন বেকার যুব ও যুব মহিলাকে দক্ষতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। তিন মাস প্রশিক্ষণ শেষে তাদের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে দুই বছরের কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়। সরকার মাসে ৬ হাজার টাকা সম্মানী প্রদান করে কিন্তু তারা দক্ষতার সাথে কাজ করতে থাকলে চাকরির দুই বছর মেয়াদ শেষে এখন তারা বেকার।

মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করে বলেন, আমরা এখন প্রশিক্ষিত জনবল আমাদের দেশ গঠনে আমাদের ব্যবহার করুন। আমাদের যোগ্যতার ভিত্তিতে আমাদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করুন’।

ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্পটি জাতীয়করণের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বক্তারা বলেন, ‘আমরা বেকার ভাতা নয় কর্মসংস্থান চাই। আমাদের পরিবার ও সমাজের বোঝা হতে চাই না’।

মন্তব্য