kalerkantho

চাঁদপুরে ব্লক রেইডে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল জব্দ

চাঁদপুর প্রতিনিধি   

১৮ মার্চ, ২০১৯ ১৩:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চাঁদপুরে ব্লক রেইডে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল জব্দ

চাঁদপুরে ব্লক রেইড দিয়ে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে পুলিশ। সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শহরের টিলাবাড়ি এলাকায় এই অভিযান চলে। এ সময় ওই এলাকার মেঘনা নদীপাড়ের বেশকিছু বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। 

অভিযোগ রয়েছে, এই এলাকার জেলেরা সংঘবদ্ধ হয়ে রাতের আঁধারে অবৈধ কারেন্ট জাল নিয়ে নদীতে নেমে জাটকা নিধন করছে। বিষয়টি জেলা জাটকা সংরক্ষণ টাস্কফোর্সের নজরে আসলে সেখানে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টিলাবাড়িতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্লক রেইড শুরুর আগেই অসাধু জেলেরা গাঢাকা দিতে সক্ষম হয়। এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহেদ পারভেজ চৌধুরী। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুল বাকী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান মানিক, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসিমউদ্দিন, জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা ফারহানা আক্তার রুমা, পৌর কাউন্সিলর হাজি মো. শাহআলম, ফরিদা ইলিয়াস প্রমুখ।

তবে এই ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা যায়নি। চাঁদপুর সদর মডেল থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুল বাকী জানান, ইলিশের পোনা জাটকা নিধনে এসব কারেন্ট জাল বেশ কার্যকরী। যে কারণে জেলা পুলিশ ও নৌ-পুলিশ, কোস্ট গার্ড এবং স্থানীয় জনপ্রতিধিদের সহায়তা নিয়ে এসব জাল জব্দ করা হয়।

চাঁদপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহেদ পারভেজ চৌধুরী জানান, দীর্ঘ ৩ ঘণ্টার অভিযানে প্রায় ৩০ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। 

চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান জানান, জব্দকৃত কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, জাটকা নিধনে যারাই জড়িত থাকুক না কেন- কোনো অবস্থায় তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।

প্রসঙ্গত, গত ১ মার্চ থেকে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনাসহ ইলিশ বিচরণের ৬টি অভয়াশ্রমে জাটকা রক্ষায় সবধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার।

মন্তব্য