• ই-পেপার

শরণখোলায় বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস পালিত

বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী বীন সালামকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

দেবীদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী বীন সালামকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন
ছবি : কালের কণ্ঠ

কুমিল্লার দেবীদ্বারে বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী বীন আব্দুস সালাম নান্নুকে (৭৬) রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০টায় উপজেলার গুনাইঘর আলিম মাদরাসা মাঠে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান শেষে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদানের সময় উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহাদাতের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অশোক বিক্রম চাকমা সালাম গ্রহণ করেন।

দাফন অনুষ্ঠানে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান গাজী বীন আব্দুস সালাম নান্নু।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন। যুদ্ধের সময় আফসার উদ্দিন রাজাকারের আস্তানা ধ্বংসে নেতৃত্ব দেওয়াসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে নেতৃত্ব দিয়ে কৃতিত্ব অর্জন করেন। কর্মজীবনে তিনি দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি হালিমা আক্তার, দুই ছেলে—ইঞ্জিনিয়ার গাজী রাসেল বিন সালাম ও ইঞ্জিনিয়ার গাজী আশরাফ বিন সালাম এবং মেয়ে উপসচিব ড. উর্মি বিনতে সালামসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহযোদ্ধা ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

এর আগে বুধবার বাদ আসর ঢাকার মনিরাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজার আগে মরহুমের বর্ণাঢ্য জীবন, মুক্তিযুদ্ধে অবদান ও কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করেন সাবেক উপসচিব মো. ফজলুল করিম সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী ইমাম, অধ্যাপক আবু হানিফ, ব্যবসায়ী মো. সফিউদ্দিন সফি, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কাজী আব্দুস সামাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রফিকুল ইসলাম, ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. বশির আহমেদ ভূঁইয়া, দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, সাবেক পৌর মেয়র মো. সাইফুল ইসলাম শামীম, লন্ডন থেকে অডিও কলে ব্যারিস্টার মো. আবু বকরসহ স্থানীয় বিশিষ্টজন ও মরহুমের পরিবারের সদস্যরা।

রাষ্ট্র সংস্কার ছাড়া জুলাই বিপ্লবের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছাবে না : নাহিদ ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
রাষ্ট্র সংস্কার ছাড়া জুলাই বিপ্লবের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছাবে না : নাহিদ ইসলাম
বৃহস্পতিবার জাতীয় জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করছেন নাহিদ ইসলামসহ এনসিপি নেতৃবৃন্দ।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, ‘জুলাই সনদ কার্যকরের কথা বললেও সরকার বাস্তবে তা বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় উপেক্ষা করে সরকার মৌখিক প্রতারণা করছে। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কার ছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত সুফল জনগণের কাছে পৌঁছানো সম্ভব নয়।’

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) জাতীয় জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হলে রাষ্ট্র সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। আবু সাঈদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতেই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ 'হ্যাঁ'-এর পক্ষে রায় দিয়েছেন। কিন্তু বর্তমান সরকার সেই গণরায়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা শুধু মুখে বলছে, বাস্তবে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এটি জনগণের সঙ্গে মৌখিক প্রতারণা।’

তিনি আরো বলেন, ‘সরকার তাদের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নেও ব্যর্থ হয়েছে। সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেটিও বাস্তবায়ন করা হয়নি। আমরা চাই গণভোটের রায়ের আলোকে রাষ্ট্র সংস্কার হোক, দুর্নীতি ও বৈষম্য দূর করে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠুক।’

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর ‘সরকার ও বিরোধী দল মিলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে’—এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সরকার যদি সত্যিকার অর্থে ইতিবাচকভাবে সংস্কার করতে চায়, তাহলে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। অতীতেও করেছি। বিচার, সংস্কার, ফ্যাসিবাদের বিলুপ্তি ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির প্রশ্নে আমরা দলীয় নয়, রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। কিন্তু সরকারের কর্মকাণ্ডে সেই আন্তরিকতার কোনো লক্ষণ আমরা দেখছি না। জুলাই সনদ অবশ্যই গণভোটের রায়ের আলোকে বাস্তবায়ন করতে হবে। এর বাইরে কোনো উদ্যোগে আমাদের সহযোগিতা থাকবে না।’

আবু সাঈদকে স্মরণ করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘আবু সাঈদ আমাদের শহীদদের ঈমাম, জুলাই বিপ্লবের রুহানী নেতৃত্ব এবং আমাদের সংগ্রামের অগ্রসেনানী। তার সাহসিকতা পুরো জাতিকে আন্দোলনের পথে উদ্বুদ্ধ করেছিল।

আমরা শুধু আবু সাঈদ নই, শহীদ মুগ্ধ, ওয়াসিম, ফারহান ফাইয়াজ, নাঈমা সুলতানা, হৃদয় চন্দ্রসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদ এবং প্রায় ৩০ হাজার আহত যোদ্ধাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। পাশাপাশি শ্রমিক, শিক্ষক, সাংবাদিক, নারী, আলেম, প্রবাসী এবং ছাত্রসমাজসহ আন্দোলনে অংশ নেওয়া সব মানুষের আত্মত্যাগও জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে।’

রাষ্ট্র সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আমাদের তিনটি দাবি ছিল—বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন। নির্বাচন হয়েছে, কিন্তু বিচার ও সংস্কার এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় হলেও তা কার্যকর হয়নি। আপিলের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো অগ্রগতি দৃশ্যমান নয়। আমরা দ্রুত আপিল নিষ্পত্তি করে রায় কার্যকরের দাবি জানাচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আবু সাঈদ হত্যার বিচার দ্রুত কার্যকর করতে হবে। পাশাপাশি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগগুলোরও বিচার সম্পন্ন করতে হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।’

১৬ জুলাইয়ের তাৎপর্য তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এই দিনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আবু সাঈদ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তার শাহাদাতের মধ্য দিয়েই গণআন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। তাই ১৬ জুলাই শুধু শোকের দিন নয়, এটি গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারের দিন।’

এর আগে নাহিদ ইসলাম এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন। পরে তিনি শহীদের বাবা মকবুল হোসেন, মা মনোয়ারা বেগম ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নেন এবং সমবেদনা জানান।

এ সময় এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ড. আতিক মুজাহিদ, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাদিয়া ফারজানা দিনা, জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক জাহিদ আহসান, সদস্য সচিব ফরহাদ সোহেল, রংপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. আল মামুন, সদস্য সচিব আবু রেজা মো. আব্দুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মেহেরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু, আহত ২

মেহেরপুর প্রতিনিধি
মেহেরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু, আহত ২
ছবি: কালের কণ্ঠ

মেহেরপুরের গাংনীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নুরাল হোসেন (৪৩) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় সেচ পাম্পের মালিকসহ আরও দুইজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে উপজেলার ধর্মচাকী গ্রামের একটি মাঠে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত নুরাল হোসেন ধর্মচাকী পশ্চিমপাড়ার আজিজুল হকের ছেলে। আহতরা হলেন সেচ পাম্পের মালিক সাইফুল ইসলাম ও কৃষক সাহারুল ইসলাম।

স্থানীয়রা জানান, সেচ পাম্পের মোটরের ঘরে সিসি ক্যামেরা লাগানোর সময় তিনজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই নুরাল হোসেনের মৃত্যু হয়।

আহত সাইফুল ও সাহারুলকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ফারুক হোসেন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই নুরাল হোসেনের মৃত্যু হয়েছে।

গাংনী থানার ওসি মোহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আর্জেন্টিনার খেলা ঘিরে ভূরিভোজের নামে চাঁদাবাজি, আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পাবনা
আর্জেন্টিনার খেলা ঘিরে ভূরিভোজের নামে চাঁদাবাজি, আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১
সংগৃহীত ছবি

পাবনায় আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের খেলা উপলক্ষে ভূরিভোজের আয়োজনের খরচ জোগাতে চাঁদাবাজির অভিযোগে রাতুল ইসলাম (২৩) নামের এক যুবককে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানো এক ব্যবসায়ীর অটোরিকশা আটকে ব্যাটারি খুলে বিক্রি করার চেষ্টা এবং পরে তার ওপর হামলার পরিকল্পনার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (১৫ জুলাই) রাত সোয়া ৯টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার দক্ষিণ রামচন্দ্রপুর চর মণ্ডলপাড়া এলাকার ইছামতি ক্যানেলের শালতলা ব্রিজসংলগ্ন এলাকা থেকে রাতুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি সচল বিদেশি পিস্তল, তিনটি ম্যাগাজিন ও দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ।

গ্রেপ্তার রাতুল পাবনা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মণ্ডলপাড়া এলাকার মো. রাসেল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ জানায়, রাতুল ও তার পলাতক সহযোগীরা আর্জেন্টিনা দলের ফুটবল খেলা উপলক্ষে রাতে একটি বড় ভূরিভোজের আয়োজন করে। সেই আয়োজনের ব্যয় মেটাতে তারা এলাকার ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীদের কাছে জোরপূর্বক চাঁদা দাবি শুরু করে।

এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় মুদি দোকানদার জাকির হোসেনের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়। জাকির চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে দুপুরে বৌবাজার ব্রিজের ওপর তার মালিকানাধীন একটি অটোরিকশা আটকে দেয়। তারা জাকিরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে হুমকি দেয়, চাঁদা না দিলে অটোরিকশার ব্যাটারি খুলে বিক্রি করে টাকা আদায় করা হবে। তবে স্থানীয় লোকজন জড়ো হলে তারা অটোরিকশাটি রেখে পালিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, ওই ঘটনার পরও তারা থেমে থাকেনি। চাঁদা না পাওয়ার ক্ষোভ থেকে আর্জেন্টিনার খেলা চলাকালে জাকির হোসেনের ওপর বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করে। এ উদ্দেশে পলাতক সহযোগীরা রাতুলের কাছে একটি কালো ব্যাগে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি জমা রাখে। পরে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যরা পালিয়ে গেলেও রাতুলকে দুইটি বিদেশি পিস্তল, তিনটি ম্যাগাজিন, দুই রাউন্ড গুলিসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাবনার পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ বলেন, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।