• ই-পেপার

ঈশ্বরদীতে ডাকাত সন্দেহে একজনকে পিটিয়ে হত্যা

বিজিবির অভিযান

টেকনাফে প্রায় ৩ লাখ পিস ইয়াবাসহ দুইজন আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক
টেকনাফে প্রায় ৩ লাখ পিস ইয়াবাসহ দুইজন আটক

টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ ও নাজিরপাড়া সীমান্তে দুটি পৃথক অভিযান চালিয়ে ২ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করছে বিজিবি।

মঙ্গলবার রাত পৌনে ১টার দিকে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) শাহপরীর দ্বীপ বিওপির সদস্যরা নাফ নদীতে একটি বিশেষ অভিযান চালায়। প্রযুক্তিগত নজরদারির মাধ্যমে মায়ানমার সীমান্ত থেকে একটি সন্দেহজনক নৌকার গতিবিধি শনাক্ত করা হয়। এক পর্যায়ে এক ব্যক্তিকে দুটি বস্তাসহ সাঁতরে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করতে দেখা গেলে বিজিবির নৌ-টহল দল তাকে আটক করে।

পরে বস্তা তল্লাশি করে ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জাগীর হোসেন (২৮) নামে একজনকে আটক করা হয়। মামলা দায়ের করে তাকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

অপরদিকে, আজ বুধবার সকালে নাজিরপাড়া বিওপির সদস্যরা আলুগোলা পোস্টসংলগ্ন শফি চেয়ারম্যানের মাছের ঘের এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় জেলের ছদ্মবেশে তিনজন ব্যক্তিকে মায়ানমার থেকে ইয়াবার চালান নিয়ে ঠেলা জালসহ বাংলাদেশে ঢুকতে দেখা যায়। বিজিবি তাদের থামার সংকেত দিলে তারা পালানোর চেষ্টা করে। তাৎক্ষণিক ধাওয়া করে আজিজুল হক (৩৮) নামে একজনকে আটক করা হয়, তবে অপর দুইজন পালিয়ে যায়।

পরে তার জাল তল্লাশি করে বিশেষ কায়দায় লুকানো ১ লাখ ৭০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আটক ব্যক্তিকে টেকনাফ মডেল থানায় পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, বিজিবি সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান, অবৈধপণ্য পাচার এবং সীমান্ত এলাকায় সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। টেকনাফ ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম, প্রযুক্তিভিত্তিক নজরদারি, নিয়মিত স্থল ও নৌ-টহল এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সিলেটে কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
সিলেটে কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

সিলেটের বিশ্বনাথে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে সিলেটের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম রুবাইয়া ইয়াসমিন এই রায় দেন। ২০১২ সালের ২৭ নভেম্বর উপজেলার শাহবাজপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ওই ঘটনা ঘটে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সিলেটের বিশ্বনাথ থানার শাহবাজপুর এলাকার বাসিন্দা মো. আশিক আলীর ছেলে জয়নাল (২৫) ও কান্দিরগাঁও এলাকার মো. মঈনুদ্দিনের ছেলে নাজিম উদ্দিন (২৫)।

বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নূর আহমদ। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার ধর্ষণের মতো অপরাধগুলোর বিষয়ে কঠোর। এই রায় তারই প্রতিফলন। এটি যুগান্তকারী একটি ঘটনা। এ থেকে আমাদের তরুণ সমাজ যদি মেসেজ নেয় তাহলে সেটা সবার জন্য ভালো।’

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ২৭ নভেম্বর বিকেলে নানার বাড়ি যাওয়ার পথে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে তার বাড়ির সামনে থেকে ডেকে নিজের বসতঘরে নিয়ে যান জয়নাল। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন নাজিম উদ্দিন। তারা ওই শিশুকে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের পর জয়নাল ঘর থেকে বেরিয়ে গেলে কিশোরী তার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে মায়ের কাছে ঘটনা জানান। পরে তার মা ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং পরদিন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। ওই কিশোরী চার দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ ঘটনায় ২০১২ সালের ১ ডিসেম্বর বিশ্বনাথ থানায় মামলা করা হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আসামিরা দোষী সাব্যস্ত হলে আদালত এ রায় দেন।

ভূমি অফিসে দালালির অভিযোগে এনসিপি নেতার কারাদণ্ড

ফরিদপুর প্রতিনিধি
ভূমি অফিসে দালালির অভিযোগে এনসিপি নেতার কারাদণ্ড
এনসিপি নেতা মো. মিলন মোল্লা। ছবি : সংগৃহীত

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ভূমি অফিসে দালালির অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ৩০ জুন আলফাডাঙ্গা উপজেলা ভূমি অফিসে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম রায়হানুর রহমান। 

দণ্ডপ্রাপ্ত নেতার নাম মো. মিলন মোল্লা (২৯) । তিনি এনসিপির আলফাডাঙ্গা উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব। 

আলফাডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম রায়হানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইন অনুযায়ী ওই ব্যক্তিকে সাজা দেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন মহল থেকে চাপ দেওয়া হচ্ছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আলফাডাঙ্গা পৌরসভার কুসুমদী গ্রামের বাসিন্দা মিলন দীর্ঘদিন ধরে আলফাডাঙ্গা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের বাইরে একটি কম্পিউটারের দোকান পরিচালনা করে ভূমি অফিসের বিভিন্ন সেবা-নামজারি, খাজনা ও অন্যান্য কাজ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করতেন। এসব কাজে তিনি নিয়মিত উপজেলা ও পৌর ভূমি অফিসে যাতায়াত করতেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার তাকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হলেও তিনি তা উপেক্ষা করে একই কার্যক্রম চালিয়ে যান। অভিযানের সময় মিলন অভিযোগ স্বীকার করেন। একই সঙ্গে তার প্রতিষ্ঠানে সেবামূল্যের তালিকা না থাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৩৯ ধারায় তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আদালতের কার্যক্রম চলাকালে আলফাডাঙ্গা উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক আব্দুল জলিল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ফোন করে বলেন, ‘মিলন আমাদের দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। তাকে একবার শুধরে নেওয়ার সুযোগ দিন।’ কিন্তু নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আইনের বাধ্যবাধকতার কথা জানিয়ে এতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর আব্দুল জলিলকে বলতে শোনা যায়, ‘ঠিক আছে, এমপি স্যারকে বলি।’ এ মন্তব্যের পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়।

আলফাডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম রায়হানুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে ভূমি অফিসে নিয়মিত দালালির কার্যক্রমের একাধিক তথ্য ও ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। তাকে অনেকবার সতর্ক করেও তিনি তা কর্ণপাত করেননি। এ ছাড়া তার প্রতিষ্ঠানে সেবামূল্যের তালিকাও ছিল না। ভোক্তা অধিকার আইন অনুযায়ী তাকে সাজা দেওয়া হয়েছে। 

আপনাকে রাজনৈতিক কোনো দলের নেতা ফোন করেছিলেন কি না জানতে চাইলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, এনসিপির আলফাডাঙ্গা উপজেলা আহ্বায়ক আব্দুল জলিল নামের এক ব্যক্তি অভিযুক্তের ব্যাপারে ফোন দিয়েছিলেন। বিচারিক কার্যক্রমে কোনো সুপারিশ বা তদবিরের সুযোগ নেই।

তবে উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক আব্দুল জলিল বলেন, আমি ঢাকায় থাকি। মিলন নামে এনসিপির কোনো সদস্য আমার কমিটিতে আছে কি না, সেটাও আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে আপনাকে জানাব। তবে এসিল্যান্ডকে আমি ফোন করিনি।

ফরিদপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান অপু ঠাকুর বলেন, কোনো অপরাধীর পক্ষে সুপারিশ করা দলের নীতিমালার পরিপন্থী। এমন ঘটনা ঘটে থাকলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বহিষ্কারও করা হবে।


 

গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী সরকার দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে : নিপুণ রায়

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা)  প্রতিনিধি
গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী সরকার দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে : নিপুণ রায়
কেরানীগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী বলেছেন, গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী সরকার দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে জাতিকে মেধাশূন্য করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল। শিক্ষার্থীদের অটো পাসের সুযোগ দিয়ে শিক্ষার মান ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাকে দুর্বল করা হয়েছে।

আজ বুধবার (১ জুলাই) কামুচান শাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে ঢাকা-৩ আসানের অন্তর্ভুক্ত পাঁচটি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে এক হাজারটি করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ছিল—‘একটি শিশু একটি গাছ, আগামী দিনের ভবিষ্যৎ’।

নিপুণ রায় চৌধুরী বলেন, ‘এবারের বাজেটে  বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছে এবং বাজেটে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ নিশ্চিত করেছে।’

তিনি জানান, মেয়েদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে শিক্ষা কারিকুলামে ইংরেজির পাশাপাশি আরো একটি বিদেশি ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারে।

জিডিপির ২ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাল্টিমিডিয়া শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তথ্য-প্রযুক্তির যুগে নিজেদের আরো দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে।’

মাদকবিরোধী অবস্থান তুলে ধরে নিপুন রায় চৌধুরী বলেন, ‘সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় এ সমস্যা দূর করা সম্ভব হবে না। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, এটি বিশুদ্ধ বাতাস, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং আগামী প্রজন্মের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে।’ তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বায়ুদূষণ ও পরিবেশগত ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিককে বৃক্ষরোপণকে সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। শুধু গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না, রোপণ করা প্রতিটি গাছের পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে।’ এ সময় তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি -বেসরকারি অফিস, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, আবাসিক এলাকা এবং খালি জায়গাগুলোতে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানান এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী কামুচান শাহ স্কুল  অ্যান্ড কলেজ এ নবনির্মিত আইসিটি ক্লাসের উদ্বোধন করেন। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।