kalerkantho


ভেজাল বিরোধী অভিযান

সৈয়দপুরে বাসি খাবার রাখার দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৬:২৮



সৈয়দপুরে বাসি খাবার রাখার দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড

আকর্ষণীয় ডেকোরেশন, অত্যাধুনিক বসার চেয়ার টেবিল, রয়েছে পর্যাপ্ত লাইটিং ব্যবস্থা। এসব নিয়ে গড়ে উঠেছে সৈয়দপুরে মিনি চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ও ফাস্ট ফুডের দোকান। কিন্তু ওইসব প্রতিষ্ঠানের কিচেন রুমের অবস্থা একবারেই নোংরা, অপরিস্কার-অপরিচ্ছন্ন। ফ্রিজিং করে রাখা হয় আগের দিনের বেঁচে যাওয়া খাবার। পরের দিন ওইসব খাবার গরম করে বা রান্না করে পরিবেশন করা হয় ওইসব প্রতিষ্ঠানে খেতে আসা গ্রাহকদের মাঝে। এর মধ্যে ওইসব প্রতিষ্ঠানে সময় কাটাতে আসা এক শ্রেণির বিশেষ গ্রাহক আগের দিনের বাসি খাবার খেয়ে কিছু না বললেও সচেতন গ্রাহকরা আগের দিনের বাসি খাবারের বিষয়টি ঠিকই বুঝতে পারে। তারা বিষয়টি জানায়, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ে।

আর এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই বাসি খাবার গ্রাহকদের মাঝে পরিবেশনের উদ্দেশ্যে ফ্রিজিং এবং বিভিন্ন খাবার পলিথিনে রাখার দায়ে সৈয়দপুরে ২ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অর্থদণ্ড করেছেন ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী দল। 
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সৈয়দপুর শহরের অভিজাত মার্কেট সৈয়দপুর প্লাজায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের পক্ষ থেকে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন প্রতিষ্ঠানটির রংপুর বিভাগীয় উপ-পরিচালক মোছা. আফসানা পারভিন।

অভিযান পরিচালনা দলের একটি সূত্র জানায়, সৈয়দপুর প্লাজায় বিভিন্ন মিনি চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ও ফাস্ট ফুডের দোকানগুলোতে নিম্নমানের বাসি খাবার গ্রাহকদের মাঝে সরবরাহ করা হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ওই মার্কেটের বার্গার কিং ও আপন কফি হাউস নামের দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়। এর মধ্যে বার্গার কিং এ বাসি খাবার ফ্রিজিং ও অন্যান্য খাবার পলিথিনে রাখার দায়ে বার্গার কিং এর মালিক মি. লরেন্স বাবুর (৩৫) পাঁচ হাজার টাকা এবং আপন কফি হাউসের মালিক তাপস রোজারিও’র (২৯) দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এদিকে অভিযান চলাকালে ওই মার্কেটের অনেক খাদ্য প্রতিষ্ঠান মালিক তাদের দোকান বন্ধ করে সটকে পড়ে।

এ অভিযানে সৈয়দপুর উপজেলা ও পৌর স্যানেটারি পরিদর্শক যথাক্রমে অহিদুল ইসলাম ও আলতাফ হোসেনসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, সৈয়দপুর প্লাজার কয়েকটি খাদ্যপণ্যের প্রতিষ্ঠানে সময় কাটানোর জন্য এক শ্রেণীর গ্রাহকের কাছে ওইসব প্রতিষ্ঠান বেশ পরিচিত।



মন্তব্য