kalerkantho


কেইপিজেডে বন্য হাতির ভয়, আতংকে বিদেশি নাগরিক ও শ্রমিক

কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০২:১৩



কেইপিজেডে বন্য হাতির ভয়, আতংকে বিদেশি নাগরিক ও শ্রমিক

ছবি: কালের কণ্ঠ

কোরিয়া রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল কেইপিজেডের বিদেশি নাগরিক ও শ্রমিক-কর্মচারীরা বন্য হাতির আতংকে আছেন। সন্ধ্যা নামলেই পুরো কেইপিজেড জুড়ে নেমে আসে হাতির ভয়।

সূত্র জানায়, বর্তমানে ২৩টি কারখানায় আনোয়ারা-কর্ণফুলী ও আশপাশের এলাকার প্রায় ২২ হাজার শ্রমিক কাজ করে। তাঁদের অনেকে পায়ে হেঁটে কারখানায় যাওয়ায় তারা আছেন হাতির ভয়ে। গত দুই মাসে পাহাড়ে অবস্থান নিয়ে দুইটি হাতি কেইপিজেডের অন্তত ১০ লাখ টাকার গাছপালাও বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষতি করেছে। ফলে সন্ধ্যা নামলেই আতংক ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। এ কারণে দায়িত্বরত বিদেশি নাগরিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, কারখানার শ্রমিক ও নিরাপত্তা প্রহরীরাও আছেন আতংকে। 

ইতিমধ্যে হাতি দুটি পার্শ্ববর্তী গ্রামে ঢুকেও বেশ কয়েকজনকে আহত করেছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘর ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করছে। হাতি দুটো যেকোনো সময়ে কেইপিজেডের কারখানায় আক্রমণ করে ক্ষতিসাধন করতে পারে বলে কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে। এ ছাড়াও কারখানা শ্রমিকরা প্রতিদিন ছুটির পর পায়ে হেটে কিংবা ছোট ছোট গাড়িতে করে বাসা-বাড়িতে ফিরে সময় হাতি দুটি রাস্তায় নেমে পড়ে, যেকোনো সময়ে সে কোনো ধরনের বড় একটি দুর্ঘটনা ঘটে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটতে পারে বলে স্থানীয় শ্রমিক ও এলাকাবাসী জানায়।

কেইপিজেডের নিরাপত্তা প্রহরী মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, দেয়াঙ পাহাড় থেকে দুইটি হাতি প্রতিদিন সড়কে আসছে। এ কারণে আমরা আতংকে আছি।

কেইপিজেডের প্রশাসন ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক মঈনুল আহসান বলেন, হাতির ব্যাপারে বনবিভাগ ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তিনি আরো জানান, গত দুই মাসে হাতি আমাদের অন্তত ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে বন বিভাগের পটিয়া রেঞ্জের বন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, হাতিগুলো সরিয়ে নেওয়ার জন্য আমরা রাতদিন পরিশ্রম করে যাচ্ছি।



মন্তব্য