kalerkantho


চৌগাছায় মসুর চাষ বেড়েছে, বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি   

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৯:৩৪



চৌগাছায় মসুর চাষ বেড়েছে, বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

যশোরের চৌগাছায় চলতি মৌসুমে ডালজাত খাদ্যপণ্য মসুরের চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। অধিকাংশ ইউনিয়নের মাঠের পর মাঠে চাষ হয়েছে মসুর। গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় একশ ৩০ হেক্টর বেশি জমিতে মসুর চাষ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর মসুরের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন কৃষকরা। 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে অত্র উপজেলায় প্রায় সাতশ ৮০ হেক্টর জমিতে মসুর ডালের চাষ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় প্রায় একশ ৩০ হেক্টর বেশি জমিতে কৃষকরা মসুর চাষ করেছেন। বাজারে মসুরের ব্যাপক চাহিদা থাকায় কৃষকরা দিন দিন এ চাষে ঝুঁকে পড়ছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। উপজেলার স্বরুপদাহ, নারায়নপুর, জগদীশপুর, হাকিমপুর, পাতিবিলা ইউনিয়নসহ পৌর এলাকায় মসুর চাষ বেশ লক্ষনীয়। 

সরেজমিন মসুর মাঠে গেলে দেখা যায়, সবুজের সমারহে মসুর গাছ। অধিকাংশ গাছে ছোটছোট শুভ্র ফুল জানান দিচ্ছে বাম্পার ফলনের। এ সময় হুদা চৌগাছার কৃষক শাহাবুদ্দীনের সাথে কথা হয়। তিনি বলেন, এলাকার কৃষকদের মসুর চাষের প্রতি আগ্রহ কিছুটা হারিয়ে যায়। বর্তমানে বাজারে মসুরের ব্যাপক চাহিদা। দামও বেশ ভালো। তাই দিন দিন মসুর চাষের দিকে কৃষক ঝুকে পড়ছেন। বিগত ২-৩ বছর ধরে কৃষকরা মসুর চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। 

তিনি আরো বলেন, চলতি মৌসুমে মসুর খুব ভালো হয়েছে। যদি কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয়, তাহলে বাম্পার ফলন হবে বলে।
 
নারায়নপুর ইউনিয়নের কৃষক রোকনুজ্জামান বলেন, বাংলা সনের কার্তিক মাস মসুর বপনের জন্য উৎকৃষ্ট সময়। তবে জমির অবস্থা বুঝে এ সময়ের আগে ও পরে মসুর বীজ বপন করা যেতে পারে। তিনি বলেন, মসুর সারি বা ছিটিয়ে বপন করা যায়। তবে সারিতে বপন করলে পরিচর্জা করতে সুবিধা হয় এবং ফলনও বেশি পাওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সারি থেকে সারির দুরত্ব হবে ৩০ সেন্টিমিটার। মসুর বপনের সময় খেয়াল রাখতে হবে বীজগুলো যেন মাটির কিছুটা নিচে পৌঁছায়। এতে বীজের অঙ্কুরদগম ভালো হয়, পাখি দ্বারা বীজ নষ্ট হয়না এবং বীজের অপচয় কম হয়। 



মন্তব্য