kalerkantho


গুনগুন-রণন সংগঠনের উদ্যোগে

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় দিনব্যাপী বইমেলা শুরু

রংপুর অফিস   

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২১:১১



বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় দিনব্যাপী বইমেলা শুরু

গুনগুন এবং রণন নামের দুটি সংগঠনের উদ্যোগে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে ছয় দিনব্যাপী তৃতীয় গুনগুন-রণন বইমেলা।

আজ মঙ্গলবার বইমেলার শুভ উদ্বোধন করেন তিন প্রজন্মের তিন গুণিজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও ভাষাসৈনিক, রংপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আফজাল, কথাসাহিত্যিক মাসুদুল হক এবং কথাসাহিত্যিক আশান উজ জামান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মুঠোফোনে বক্তব্য দেন উপাচার্য ডক্টর নামমুল আহসান কলিমউল্লাহ।

রণন সভাপতি ও বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ এর সভাপতিত্বে ও গুনগুন সভাপতি ও একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উমর ফারুকের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী পর্বে আরো বক্তব্য রাখেন রণন সংগঠক হ্যাপী রায়, গুনগুন সংগঠক জান্নাতুল মাওয়া, আইডিয়া প্রকাশনীর শাকিল মাসুদ, বিভাগীয় লেখক পরিষদের সংগঠক জাকির আহমেদ। লেখক রেজাউল করিম মুকুল প্রমুখ।

উপাচার্য ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন, গুনগুন-রণন বইমেলা এ বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সুন্দর সংস্কৃতি চালু করেছে।’

মোহাম্মদ আফজাল বলেন, ‘ইতিহাসের ভেতর দিয়ে জন্ম নিয়েছে বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশকে সমুন্নত করতে হলে মানুষদের বইয়ের কাছে আসতে হবে। তার জন্য বইমেলা উত্তম স্থান।’

কথাসাহিত্যিক মাসুদুল হক বলেন, ‘গুনগুন এবং রণন দুটি সংগঠন প্রতিবছর বইমেলার যে আয়োজন করছে এর মাধ্যমে মানুষকে আলোকিত করার কাজ হচ্ছে।’

কথাসাহিত্যিক আশান উজ জামান বলেন ‘গুনগুন এবং রণন যে বইমেলার সংস্কৃতি চালু করেছে তা অব্যাহত রাখলে একদিন এই বইমেলায় দেশবিদেশ থেকে পাঠক আসবেন। আমরা সেই বাস্তবতা দেখার অপেক্ষায় আছি।’ 

আয়োজক সংগঠন রণনের সভাপতি বলেন, আমরা এ বছর তৃতীয়বারের মতো গুনগুন-রণন বইমেলার আয়োজনের করেছি। বইপাঠে মানুষ তার অভ্যাস বদ্ধি করে এমন চিন্তা থেকে আমরা বইমেলার আয়োজন করছি। আগামী বছরগুলোতে আমরা এর কলেবর বৃদ্ধি করতে চাই।

গুনগুন এর সভাপতি বলেন ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের তথা অত্র অঞ্চলের মানুষকে আলোকিত করার প্রত্যয় নিয়ে আমরা প্রতিবছর এই বইমেলার আয়োজন করছি। পাঠকদের অনুরোধ করি তারা যেন মেলায় আসেন আমাদের উৎসাহকে বাড়িয়ে দেন।

প্রতিদিন মেলা চলবে সকাল ১১টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত। এই মেলায় মোট ২৬টি দোকান রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ও শহরের কিছু সংগঠন ছাড়াও কয়েকটি প্রকাশনাও অংশ নিয়েছে। মেলায় প্রতিদিন পুস্তক সমালোচনা প্রতিযোগিতা, সাহিত্যবিষয়ক কর্মশালা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রয়েছে। 



মন্তব্য