kalerkantho


শ্যাম্পু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি   

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৯:০১



শ্যাম্পু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

কুমিল্লার হোমনায় দোকান থেকে শ্যাম্পু কিনে বাড়ি ফেরার পথে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ মঙ্গলবার সকালে অভিযুক্ত স্থানীয় পোস্ট মাস্টার ও পল্লী চিকিৎসক সুভাস চন্দ্র দাসকে আটক করে হোমনা থানা পুলিশ।

মেয়েটি স্থানীয় দুলালপুর সরকারি প্রাথমকি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। সে তিন বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট। অভিযুক্ত সুভাস এর আগেও একবার মেয়েটিকে ধর্ষণ করেছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হোমনা সার্কেল) মো. সাইফুর রহমান আজাদ। 

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সুভাষ দুলালপুর বাজারে ওষুধের ব্যবসার পাশাপাশি দুলালপুর সাব পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার হিসাবে কর্মরত। তিনি দুলালপুর-চন্ডিপুর গ্রামের মৃত রাজেন্দ্র চন্দ্র দাসের ছেলে। তার স্ত্রী উপজলোর দুলালপুর চন্দ্রমনি উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক। শিশুটি ওই দিন দুপুরে বাজার থেকে শ্যাম্পু কিনে তার দোকানের পাশ দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে দোকানের ভেতরে ডেকে নিয়ে জোরর্পূবক তাকে ধর্ষণ করে। 

মেয়ের মা জানান, ওই দিন দুপুরে মেয়েটিকে শ্যাম্পু কিনতে দশ টাকা দিয়ে বাজারে পাঠান, আসতে দেরি দেখে তিনি বিভিন্ন রাস্তা ও দোকানে গিয়ে মেয়ের খোঁজ করেন। তখন মেয়েকে না পেয়ে বাড়িতে চলে আসেন। এর পর মেয়ে বাড়ি ফিরলে তাকে গোসলের জন্য নিয়ে নিয়ে গিয়ে মেয়ের বুকে দাগ দেখতে পান। তখন মেয়ে তাকে সব ঘটনা খুলে বলে। 

তিনি বলেন, তখন আমি বিষয়টি চেয়ারম্যানের কাছে বিচারের জন্য গেলে তিনি আইনের মাধ্যমে যাওয়ার কথা বলেন এবং তিনি পুলিশকে জানান। 

এদিকে উপজলো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক ডাক্তার মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ জানান, প্রাথমিকভাবে শিশুটিকে দেখেছি। বুকের ডান দিকে কামড়ের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে আরও অন্যান্য পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেছি।

এ ব্যাপারে দুলালপুর ইউনয়িন পরষিদ চেয়োরম্যান মো. জসমি উদ্দনি সওদাগর বলেন, আমি ঘটনা জানার সাথে সাথে বিষয়টি পুলিশকে জানাই। এর পর পুলিশ এসে এসে সুভাষকে থানায় নিয়ে যায়।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত র্কমর্কতা (ওস) সৈয়দ মো. ফজলে রাব্বী ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন,  শিশুটিকে ধর্ষণের ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনরে মামলা হয়েছে এবং আসামিকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো  হয়েছে।



মন্তব্য