kalerkantho


কক্সবাজার বিমানবন্দরে দুর্নীতির দায়ে পাঁচ কর্মকর্তা কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার   

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:২০



কক্সবাজার বিমানবন্দরে দুর্নীতির দায়ে পাঁচ কর্মকর্তা কারাগারে

কক্সবাজার বিমানবন্দরের জেনারেটর ক্রয়ে দুর্নীতির দায়ে দুদকের দায়ের করা মামলায় বেসামারিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ও কক্সবাজার বিমানবন্দরের সাবেক কর্মকর্তাসহ পাঁচজনকে কারাগারে প্রেরণ করেছেন আদালত। কক্সবাজার সিনিয়ল স্পেশাল জজ আদালতে আসামিরা গতকাল সোমবার স্থায়ী জামিনের জন্য আবেদন করলে আদালতের বিচারক খোন্দকার হাসান মো. ফিরোজ তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। দুদকের নিয়োজিত আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আবদুর রহিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- বেসামারিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শহীদুল আফরোজ, কক্সবাজার বিমানবন্দর প্রকল্পের ঠিকাদার ও মেসার্স ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডার্সের স্বত্ত্বাধিকারী শাহাব উদ্দীন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সাবেক সহকারী প্রকৌশলী ভবেশ চন্দ্র সরকার, কক্সবাজার বিমানবন্দরের সাবেক ব্যবস্থাপক হাসান জহির ও বেসামারিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মিহির চাঁদ দে। মামলার ৬ আসামির মধ্যে আরেক আসামি বর্তমানে খুলনা খান জাহান আলী বিমান বন্দর ও কক্সবাজার বিমান বন্দরের সাবেক সিনিয়র উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম মন্ডল গতকাল আদালতে হাজির হননি।

কক্সবাজার থানায় দায়ের করা মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে কক্সবাজার বিমানবন্দরের জন্য ৩০০ কেভিএ একটি জেনারেটর না কিনে আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ক্রয় দেখিয়ে ৬০ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। এই অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গত ৬ জানুয়ারি দুদকের চট্টগ্রাম অঞ্চল-২ এর উপ-পরিচালক মাহবুবুল আলম বাদি হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেন।

দুদকের কক্সবাজার আদালতের আইনজীবী মো. আবদুর রহিম জানান, উচ্চ আদালত আসামিদের চার সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়ে পরবর্তীতে নিম্ন আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন। আসামিদের পক্ষে কক্সবাজারের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল মোস্তফা মানিকের নেতৃত্বে অন্যান্য আইনজীবী শুনানি করেন এবং রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন দুদকের পিপি অ্যাড. মো. আবদুর রহিম। তাকে সহযোগিতা করেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর।



মন্তব্য