• ই-পেপার

বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু

বন্যাদুর্গতদের পাশে বিমানবাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
বন্যাদুর্গতদের পাশে বিমানবাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতি

সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রাম, সিলেট ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়ে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বিমানবাহিনী।

এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিমানবাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতির (বাফওয়া) সভানেত্রী সালেহা খানের উদ্যোগ ও দিকনির্দেশনায় চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকায় বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে প্রয়োজনীয় শুকনা খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও জরুরি ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।

একই দিন মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজদিঘীরপার এলাকায় বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে প্রয়োজনীয় শুকনা খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও জরুরি ওষুধ বিতরণ করেছে বাফওয়া।

এ ছাড়া বিমানবাহিনী প্রধান হাসান মাহমুদ খাঁনের সার্বিক দিকনির্দেশনায় কক্সবাজার জেলার পেকুয়া (রাজাখালী) এলাকায় বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং জরুরি ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিমানবাহিনী ও বিমানবাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতির ত্রাণ কার্যক্রম ও মানবিক সহায়তা বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। বিমানবাহিনী প্রধান ইতিমধ্যে বাহিনীর সকল ঘাঁটি ও ইউনিটকে তাদের পার্শ্ববর্তী বন্যাকবলিত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা এবং সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন। পাশাপাশি যেকোনো জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে বিমানবাহিনীর রেসকিউ টিম, হেলিকপ্টার এবং ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট সেল সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে।

বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিএনপি

পটিয়ার ১ হাজার পরিবার পেল ১০ কেজি করে চাল

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
পটিয়ার ১ হাজার পরিবার পেল ১০ কেজি করে চাল
ছবি: কালের কণ্ঠ

টানা বর্ষণ ও সাম্প্রতিক বন্যার ধাক্কায় বিপর্যস্ত নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বিএনপি। চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার আশিয়া ইউনিয়নে বন্যাকবলিত ও অসহায় ১ হাজার পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে আশিয়া বায়তুন্নুর মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এ মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে স্থানীয় মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল থেকেই নারী-পুরুষের দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে অনেকেই তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা গ্রহণ করেন।

আয়োজকরা জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় এ খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে আশিয়া ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জমির উদ্দিন মানিক বলেন, ‘দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সব সময় নেতাকর্মীদের অসহায় মানুষের পাশে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা বন্যাদুর্গত পরিবারের হাতে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘পটিয়া তথা আশিয়ার মানুষের কষ্ট লাঘবে আমাদের এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। কোনো অসহায় পরিবার যেন অনাহারে না থাকে, সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।’

স্থানীয় বিএনপি নেতা আবদুল আলিম মেম্বার বলেন, ‘বন্যায় অনেক পরিবারের ঘরে খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। এই সহায়তা তাদের জন্য সাময়িক হলেও গুরুত্বপূর্ণ স্বস্তি এনে দেবে। সমাজের বিত্তবানদেরও মানবিক কাজে এগিয়ে আসা উচিত।’

সহায়তা পেয়ে আশিয়া ইউনিয়নের নারী রোজিনা আকতার বলেন, ‘বন্যার পানিতে ঘরের চাল-ডাল সব নষ্ট হয়ে গেছে। এই ১০ কেজি চাল আমাদের কয়েকদিনের খাবারের চিন্তা দূর করবে। যারা আমাদের কথা ভেবে সাহায্য করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’

স্থানীয়রা বলছেন, ‘দুর্যোগকবলিত মানুষের জন্য এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে আশিয়ায়। সরকারি সহায়তার পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর এ ধরনের উদ্যোগ দুর্যোগ মোকাবেলায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট অনেকটাই লাঘব করতে পারে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মো. আনোয়ার, আশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজ আহমেদ, বিএনপি নেতা আবদুল মান্নান, জাহাঙ্গীর, ফারুক খন্দকার, আকতার কামাল, মঈনুদ্দিন চৌধুরী,সোলেমান চৌধুরী,ইমন চৌধুরী, যুবদল নেতা আবছার, হেলাল মেম্বার, আবদুল হান্নান, সাজ্জাদ হোসেন, সাহাব উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোবিনুল হক,পারভেজ মেম্বার, শাহাদাত, মিন্টু,আব্দুর রহিম, নেজাম উদ্দিন চৌধুরী, এনাম, ছাত্রদল নেতা আসিফ, আরমান হোসেন চৌধুরী, কামাল উদ্দিন, ইমনসহ আশিয়া ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

আখাউড়ায় নবগঠিত বরিশল ইউনিয়নের কার্যক্রম শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
আখাউড়ায় নবগঠিত বরিশল ইউনিয়নের কার্যক্রম শুরু
ছবি : কালের কণ্ঠ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার নবগঠিত বরিশল ইউনিয়নের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রবিশল গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. ফজলুর রহমান ভূঁইয়ার বাড়িতে অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধনের মাধ্যমে ইউনিয়নটির যাত্রা শুরু হয়।

সকালে অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া। অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কফিলউদ্দিন মাহমুদ, জেলা বিএনপির নেতা বেলাল উদ্দিন সরকার তুহিন, বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী কবির আহমেদ ভূঁইয়া, মো. জয়নাল আবেদীন আব্দু, শরীফুল হক স্বপন, মো. সেলিম ভূঁইয়া, মো. আক্তার খানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ১২ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম নিয়ে নতুন বরিশল ইউনিয়ন গঠনের গেজেট প্রকাশ করে সরকার। চলতি জুলাইয়ে মো. ফজলুর রহমান ভূঁইয়াকে ইউনিয়নটির প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ফজলুর রহমান ভূঁইয়ার ছেলে কবির আহমেদ ভূঁইয়া এক আবেদনের মাধ্যমে সদর উপজেলার ছয়টি গ্রাম নিয়ে বরিশল ইউনিয়ন গঠন করে তা আখাউড়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছিলেন। পরবর্তীতে সরকার বিষয়টি অনুমোদন করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রশাসক মো. ফজলুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, বরিশল ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই তার লক্ষ্য। তিনি বলেন, সরকারের সব ধরনের বরাদ্দ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ভিত্তিতে এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে পরামর্শ করে বণ্টন করা হবে।

নতুন বরিশল ইউনিয়ন গঠনের ফলে আখাউড়া উপজেলায় ইউনিয়নের সংখ্যা পাঁচ থেকে বেড়ে ছয়টিতে উন্নীত হয়েছে। ইউনিয়নটিতে অন্তর্ভুক্ত ছয়টি গ্রাম আখাউড়া পৌর এলাকার সংলগ্ন হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রীকে ১৮ জুলাই নওগাঁয় ঢুকতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারি

নওগাঁ প্রতিনিধি
শিক্ষামন্ত্রীকে ১৮ জুলাই নওগাঁয় ঢুকতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারি
ছবি : কালের কণ্ঠ

আগামী ১৮ জুলাই নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করতে এলে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে ঢুকতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা শিক্ষা ভবনের সামনে ঘণ্টাব্যাপী করা মানববন্ধনে এই হুঁশিয়ারি দেন তারা।  

মানববন্ধনে দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত রাখা এবং বৈরী আবহাওয়ায় পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিতসহ সব দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। দাবি না মানলে আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু | কালের কণ্ঠ