kalerkantho


এখনো পাওয়া যায়নি কুঁড়িয়ে পাওয়া শিশুর অভিভাবক

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি   

২৪ জানুয়ারি, ২০১৯ ০৪:৫৭



এখনো পাওয়া যায়নি কুঁড়িয়ে পাওয়া শিশুর অভিভাবক

ছবি: কালের কণ্ঠ

১২ দিন পার হলেও মৌলভীবাজারের রাজনগরে কুঁড়িয়ে পাওয়া শিশুর অভিভাবক এখনো পাওয়া যায়নি। শিশুটি চিকিৎসাধীন রয়েছে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যার হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে। এদিকে, শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে ৪ দম্পতি লিখিত আবেদন করেছেন। শিশুটি কার কোলে যাবে তা নির্ধারণ করবে আদালত।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৩ জানুয়ারি) সকালে ঘুম থেকে ওঠে বাড়ির পাশের সবজি ক্ষেতে গিয়েছিলেন মনসুরনগর ইউনিয়নের বড়কাপন গ্রামের রোকেয়া বেগম (৫০)। ক্ষেতে সবজি তোলার সময় বাঁশের বেড়ায় ঝুলানো একটি চটের ব্যাগ দেখতে পান তিনি। ওই ব্যাগের ভেতর নড়াচড়া করছে এবং শব্দও হচ্ছে। কৌতুহলবশত: বিষয়টি দেখার জন্য ওইদিকে এগিয়ে যান তিনি। দেখতে পান ব্যাগের মধ্যে একটি নবজাতক কন্যা শিশু মুখে প্লাস্টিক টেপ লাগানো। মুখে লাগানো টেপ খোলার পর শিশুটি কাঁদতে থাকে। তিনি শিশুটিকে আদর সোহাগে বাড়িতে নিয়ে যান।

বিষয়টি জানান, তার দেবর ডিডরাইটার মকদ্দুস আলীকে। মকদ্দুছ আলী এ ঘটনাটি এলাকার ইউপি সদস্য নুরুল ইসলামকে জানালে তিনি ঘটনাস্থলে আসেন। খবর পেয়ে রাজনগর থানার এস আই আবু মোকছেদ পিপিএম নবজাতককে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর ২৫০ শয্যার হাসপাতালে শিশু ওর্য়াডে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। শিশুটি এখনো ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছে। মৌলভীবাজার হাসপাতালের সমাজসেবা বিভাগ বিষয়টি আদালতকেও জানিয়েছেন।

ওই বিভাগ শিশুটির খবর রাখছে বলে জানান, উপ-পরিদর্শক আবু মোকসেদ পিপিএম। শিশুটিকে কুঁড়িয়ে পাওয়া নারীর দেবর দলিল লেখক মকদ্দুস আলী বলেন, শিশুটি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমরা শিশুটির যথাযথ দেখাশুনা করছি। রাজনগর থানার উপ-পরিদর্শক আবু মোকসেদ পিপিএম বলেন, রাজনগর থানায় করা জিডি মূলে এ বিষয়ে মৌলভীবাজার শিশু আদালতে আবেদনের প্রেক্ষিতে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হবে। শিশু আদালতের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমার নিকট এ পর্যন্ত ৪টি আবেদন এসেছে। আদালতের সিদ্ধান্তেই তাকে কোনো এক দম্পতির কোলে দেওয়া হবে।



মন্তব্য