kalerkantho


চাঁদা তোলা নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ আহত ২১

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

২০ জানুয়ারি, ২০১৯ ২০:৩৮



চাঁদা তোলা নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ আহত ২১

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনার জন্য চাঁদা তোলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের পাটুয়া আল-আমিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২১ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।

আজ রবিবার দুপুরে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত ২১ জনের মধ্যে ১৪ জন এসএসসির পরীক্ষার্থী রয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, হামলায় আহতদের মধ্যে মামুন হোসেন, রেজাউল গাজী, শাকিল গাজী, জুয়েল হোসেন, শাওন হোসেন ও নিপুকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া বাকি ১৫ ছাত্রীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যালয়ের ক্লার্ক মাসুমের নেতৃত্বে মেহেদী, মাসুম মাস্টার, তছলিম মৃধাসহ ১০/১২ জন বহিরাগত সন্ত্রাসী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে নিশ্চিত করেছেন।

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি অভিভাবক বজলু প্যাদা জানান, অফিস সহকারী মাসুম বখাটে ও মাদকসেবী। তার মেয়েকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। 

কলাপাড়া থানার ওসি মো. এনিরুল ইসলাম জানান, ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে একজন কর্মকর্তাসহ ফোর্স পাঠানো হয়েছে। আহত ছাত্রীরা হচ্ছে সুমাইয়া, রহিমা, রীপা, তানজিলা, জুলিয়া, মুনমুন, সাদিকুননীরা, রিতা, মোনালিসা, লামিয়া, রিয়ামনি, মনিয়ম, শারমিন, বুশরা ও রিয়া। এর মধ্যে রিয়া দশম শ্রেণির ছাত্রী। বাকিরা এ বছর এসএসসি পরীক্ষার্থী।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তানভীর রহমান জানান, প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে কাউকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এলাকায় এ ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

অভিযুক্ত অফিস সহকারী মো. মাসুম জানান, ওরা ক্লাশে বসে আজকে আগে মারামারি করেছে যার ফয়সালা করা হয়। কিন্তু মনের দিক থেকে কেউ মেনে নেয়নি। ফের স্কুলের নিচে গিয়ে মারামারি শুরু করে। তবে যারা এ ঘটনার সঙ্গে অনেকটা জড়িত যারা তাঁর (মাসুমের) বাড়ির ছেলেপান বলে তাকে দোষারোপ করা হচ্ছে। তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিংবা এ ঘটনার জন্য দায়ী নন বলে দাবি করেন।



মন্তব্য