kalerkantho


নীলফামারীতে শতবর্ষী গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন

নীলফামারী প্রতিনিধি   

২০ জানুয়ারি, ২০১৯ ১৯:৫৫



নীলফামারীতে শতবর্ষী গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন

নীলফামারী শহরের শতবর্ষী গাছ কাটার সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। আজ রবিবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে ঘণ্টাব্যাপী ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও শহরের একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মানববন্ধন শেষে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা দেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপ-সচিব এ কে আমিনুল হক, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান আরিফা সুলতানা লাভলী ও জেলা কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাবের) সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান দুলাল, ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রশীদ মঞ্জু প্রমুখ। শেষে জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

বক্তারা জানান, জেলা পরিষদ অস্বচ্ছ প্রক্রিয়া দেখিয়ে এক লাখ ১১ হাজার ৫০০ টাকায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনের শতবর্ষী দুটি কাঠবাদাম ও দুটি রেইনট্রি কড়াই গাছ বিক্রি করে। গত ১৭ই জানুয়ারি সকালে ওই গাছ ঠিকাদারের লোকজন কাটা শুরু করলে বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে স্থানীয়রা। পরে বিক্ষুদ্ধদের দাবির প্রেক্ষিতে পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদর হস্তক্ষেপে গাছ কাটা বন্ধ হয়।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, শহরের কালেক্টরেট চত্ত্বরে ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী গাছগুলো পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি জেলা শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে। জেলা পরিষদ এসব সতেজ গাছ কাটা শুরু করেছে। গাছ কাটার প্রতিবাদ ও জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

এদিকে জেলা পরিষদের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ওই গাছগুলো কাটার ব্যাপারে পুলিশ সুপার আমাদের চিঠি দেন। আমরা যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে স্থানীয় একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দরপত্রের মাধ্যমে গাছগুলো বিক্রি করি।

অপরদিকে জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন তাঁর কার্যালয়ের সামনে স্মারকলিপি গ্রহণকালে বলেন, ওই গাছ কাটার ব্যাপারে আমি কোনো অনুমতি প্রদান করিনি। বিষয়টি নিয়ে যথাযত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।



মন্তব্য