kalerkantho


আসন সংখ্যা চার তিনটিতেই জট খুলেনি জোট-মহাজোটের

নীলফামারী প্রতিনিধি   

১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০১:২১



আসন সংখ্যা চার তিনটিতেই জট খুলেনি জোট-মহাজোটের

নীলফামারীর চারটি সংসদীয় আসনে ছয় প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর রয়েছেন ২৪ প্রার্থী। এসব আসনে মধ্যে তিনটিতে জোট এবং মহাজোটে একাধিক প্রার্থী থাকায় এখনো জট খুলেনি ওই দুই জোটের। 

এর মধ্যে নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে ২০ দলীয় জোটে বিএনপির দুইজন এবং আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পাটিতে রয়েছেন একজন করে।

নীলফামারী-৩ (জল ঢাকা) আননে ২০ দলীয় জোটের বিএনপি এবং জামায়াতের একজন করে। অপরদিকে মহাজোটে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী না থাকলেও জাতীয় পার্টিতেও রয়েছেন দুইজন প্রার্থী। 

নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে মহাজোটের জাতীয় পার্টিতে দুইজন এবং ২০ দলীয় জোটের বিএনপিতেও রয়েছেন দুই প্রার্থী।

সূত্র মতে, নীলফামারী-১ (ডেমার-ডিমলা) আসনে রয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সংসদ সদস্য ডিমলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আফতাব উদ্দিন সরকার, সেখানে জাতীয় পাটির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য জাফর ইকবাল সিদ্দিকীও রয়েছেন। অপরদিকে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন খালেদা জিয়ার ভগ্নিপতি মো. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি এ আহমেদ বাকের বিল্লাহ্ মুন। 

ওই আসনের অপর প্রার্থীরা হলেন- ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি (ন্যাপ), সাইফুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) ইউনুস আলী (বাসদ), মঞ্জুরুল ইসলাম (জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ), সিরাজুল ইসলাম (বিএনএফ)। 

নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনে মহাজোটের আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী না থাকলেও জাতীয় পার্টির রয়েছেন দুই জন। তারা হলেন, জেলা জাপার সহসভাপতি মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল এবং জেলা জাপার সহসভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য কাজী ফারুক কাদের। 

অপরদিকে ২০ দলীয় জোটে প্রার্থী রয়েছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির সুরা সদস্য আজিজুল ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি পৌর মেয়র ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী কমেট। পদে থেকে মনোনয়ন দাখিল করায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং নির্বাচন কমিশনে তার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণার পর উচ্চ আদলের রিটে প্রার্থীতা পান তিনি। ওই আসনে অন্য প্রার্থী হলেন, আমজাদ হোসেন সরকার (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)।

নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে জাতীয় পাটির প্রার্থী রয়েছেন জেলা জাপার সভাপতি সংসদস সদস্য শওকত চৌধুরী ও দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের ভাগ্নে আহসান আদেলুর রহমান আদেল। সেখানে বিএনপিতেও রয়েছেন দুই প্রার্থী। তারা হলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদক কণ্ঠ শিল্পী বেবী নাজনীন এবং সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র সাবেক সংসদ সদস্য আমজাদ হোসেন সরকার ভজে।

ওই আসনের অন্য প্রার্থীরা হলেন, শহিদুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), আব্দুল হাই সরকার (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি)।

নীলফামারী-২ (সদর) আসনে দুই জোটেই রয়েছেন একক প্রার্থী। সেখানে মহাজোটের প্রার্থী রয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর (আ. লীগ)। অপরদিকে ২০ দলীয় জোটে রয়েছেন জেলা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মনিরুজ্জামান মন্টু।

সেখানে অন্য প্রার্থীরা হলেন, জহুরুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), রাবেয়া বেগম (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি)।

একই দলের একাধিক প্রার্থীর ব্যাপারে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজিয়া শিরিন বলেন, ‘যাকে দল মার্কা প্রদান করবেন তিনি বাদে নিয়ম অনুযায়ী অপর প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হবে।’



মন্তব্য