kalerkantho


বড়লেখায় পরিবহন ধর্মঘটে শিশুর মৃত্যু

ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলন

বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি    

৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০১:৪৪



ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলন

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘট চলাকালে অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখায় সাতদিন বয়সী কন্যাশিশু মৃত্যুর অন্তত ৩৮ দিন পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।

ময়নাতদন্তের জন্য বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে কবর থেকে শিশুর লাশ উত্তোলন করা হয়। এ সময় বড়লেখা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী হাকিম শরীফ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

গত ২৮ অক্টোবর বড়লেখা উপজেলার চান্দগ্রাম এলাকায় মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনার তিনদিন পর ৩১ অক্টোবর শিশুর চাচা আকবর আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয়ে ১৬০ থেকে ১৭০ জন শ্রমিককে আসামি করে থানায় একটি মামলা (নং-১৮) করেন। এই মামলার অন্তত ৩৪ দিন পর পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বড়লেখা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জসীম সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে শিশুটির লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত ও ময়নাতদন্তের জন্য গত ৫ নভেম্বর বড়লেখার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম হরিদাস কুমারের আদালতে আবেদন করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ নভেম্বর আদালত এক আদেশে শিশুটির লাশ কবর থেকে উত্তোলনের জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বিজ্ঞ জেলা হাকিম মৌলভীবাজারকে বলেন। আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২২ নভেম্বর জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে বড়লেখার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী হাকিম শরীফ উদ্দিনকে লাশ উত্তোলনের সময় উপস্থিত থাকার জন্য নিয়োগ করা হয়।

এই ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বড়লেখা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জসীম শিশুর লাশ উত্তোলনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নির্বাহী হাকিম মহোদয়ের উপস্থিতিতে শিশুর লাশটি সকালে কবর থেকে তোলা হয়েছে। তাঁর পরিবারের লোকজনও উপস্থিত ছিলেন। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।



মন্তব্য