kalerkantho


রায়পুরার সংঘর্ষে তিনটি হত্যা মামলা, মূল আসামি জনপ্রতিনিধিরা

রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি   

২১ নভেম্বর, ২০১৮ ১৭:১৯



রায়পুরার সংঘর্ষে তিনটি হত্যা মামলা, মূল আসামি জনপ্রতিনিধিরা

নরসিংদীর রায়পুরায় আধিপদ্য বিস্তার নিয়ে গত শুক্রবারের পৃথক দুটি সংঘর্ষে  তিন জন নিহত হওয়ায় তিনটি হত্যা মামলা হয়েছে। নিলক্ষায় সংঘর্ষে নিহত স্বপন মিয়ার বড় ভাই দুলাল মিয়া আজ বুধবার নিলক্ষা ইউপির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে ৩০ জনের বিরোধে একটি হত্যা মামলা করেছে।

বাঁশগাড়ীতে তোফায়েল রানা নিহত হওয়ার ঘটনায় তাঁর বাবা আবদুল্লাহ ফকির গত রবিবার রাতে ৪৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ১৫-২০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। এতে বাঁশগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল হক প্রধান আসামি। আর নিলক্ষার সোহরাব হোসেন নিহত হওয়ার ঘটনায় তাঁর মা সাফিয়া খাতুন মঙ্গলবার দুপুরে নিলক্ষা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হক সরকারসহ (প্রধান আসামি) ২৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন|

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানায়, গত শুক্রবার সকালে বাঁশগাড়ীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে প্রয়াত চেয়ারম্যান সিরাজুল হকের অনুসারী কবির সরকারের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষ সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত হাফিজুর রহমান শাহেদ সরকারের অনুসারী জাকির হোসেনের সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তোফায়েল রানা নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়। আহত হয় কমপক্ষে ১০ জন।

একই দিন দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিলক্ষা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামের অনুসারী ছমেদ আলীর নেতৃত্বে প্রতিপক্ষ সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হকের অনুসারী সহী মেম্বারের সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয়। এরপর দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে প্রথমে তাজুল ইসলামের সমর্থক সোহরাব হোসেন ও পরে আবদুল হক সরকারের সমর্থক স্বপন মিয়া নামের দুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। আহত হয় অন্তত ৪০ জন। এ ঘটনায় পুলিশ নিলক্ষা থেকে ৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, চার রাউন্ড গুলিসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা করা হয়। রায়পুরা থানার ওসি মহসিন উল কাদির কালের কণ্ঠকে তিনটি হত্যা মামলার বিষয় নিশ্চিত করে বলেন এখনও পযর্ন্ত কোন আমামি গেপ্তার হয়নি আসামীদের ধরতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।



মন্তব্য