kalerkantho


সমাপনী ও ইবতেদায়ীতে ৩২৭ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

২০ নভেম্বর, ২০১৮ ২৩:৩০



সমাপনী ও ইবতেদায়ীতে ৩২৭ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত

মুন্সীগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষায় সমাপনী ও ইবতেদায়ী পরীক্ষায় মঙ্গলবার ৩২৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এর মধ্যে সমাপনীতে অনুপস্থিত ১৮০ ও ইবতেদায়ী পরীক্ষায় ১৪৭ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকে। এদিন সমাপনীতে বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের, ইবতেদায়ীতে বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। 
 
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, মুন্সীগঞ্জ জেলার ৬টি উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের পরীক্ষায় সর্বমোট ২৫ হাজার ৪০৮ জন পরীক্ষাথী উপস্থিত থাকে। ছয় উপজেলায় অনুপস্থিত থাকে ৯৪ জন ছাত্র ও ৮৬ জন ছাত্রী। 
 
এ ছাড়া ইবতেদায়ীতে ছয় উপজেলায় ১ হাজার ১৯৯ জন পরীক্ষার্থী উপস্থিত থাকে। অনুপস্থিত থাকে ৯০ জন ছাত্র ও ৫৭ জন ছাত্রী। অন্যবারের চেয়ে এবারের অনুপস্থিতি বেশি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার অধিকারী জানান, অনুপস্থিতির বিষয়ে আরও বেশি তদারকি চলছে। তবে এবার সিরাজদিখান উপজেলায় কোন অনুপস্থিতি সেখানে তদারকি বেশি ছিল। শেষ মুহূর্তে দুই শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। পরে কর্মকর্তগণ মোটারবাইকে করে শিক্ষার্থী বাড়িতে গিয়ে অভিভাবকদের কুঝিয়ে নিয়ে আসা হয়। তবে এই অনুপস্থিতির ক্ষেত্রে কিন্ডার গার্টেনগুলো বেশি দায়ী উল্লেখ করে বলেন, বেসরকারি এই প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসায়িক চিন্তা করে অনেক শিক্ষার্থীকে শেষ মুহুর্তে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখে। এই ক্ষেত্রে অভিভাবকদেরকেও ভুল বোঝানো হয়। 
 
এ ছাড়াও অনেকে পেশাগত কারণে রেজিস্টেশনের পরে অন্যত্র চলে যাওয়াও অনুপস্থিতির একটি কারণ। তবে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার দু’শিক্ষার্থী পরিবারের সঙ্গে বিদেশে চলে গেছে। এ ছাড়া মাদরাসাগুলো এবং অভিভাকদের অসচেতনাতার কারণে ইবতেদায়ী পরীক্ষায় ১৪৭ জন অনুপস্থিত থাকার অন্যতম কারণ বলে মনে করেন তিনি। তবে ভবিষ্যতে আরো বেশি মনিটরিংয়ের মাধ্যমে অনুপস্থিতি কমিয়ে আনা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
 
সমপানীতে সিরাজদিখানে শতভাগ উপস্থিতি থাকলেও মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় অনুপস্থিত রয়েছে ৮৬ জন, গজারিয়ায় ৩৭ জন, শ্রীনগরে অনুপস্থিত ২৪ জন, লৌহজংয়ে ২৩ এবং টঙ্গীবাড়িতে ১০ জন অনুপস্থিত রয়েছে। আর ইবতেদায়ী পরীক্ষায় মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় অনুপস্থিত রয়েছে ৩৭, লৌহজংয়ে ৩০, সিরাজদিখানে ২৬, শ্রীনগরে ২৩, টঙ্গীবাড়িতে ১৬ এবং গজারিয়ায় ১৫ জন অনুপস্থিত রয়েছে।


মন্তব্য