kalerkantho


মদনপুর সংঘর্ষ

পুলিশ ও খলিল মেম্বারের স্ত্রীর পৃথক মামলা

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

২০ নভেম্বর, ২০১৮ ০২:৩৮



পুলিশ ও খলিল মেম্বারের স্ত্রীর পৃথক মামলা

বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার খলিল গ্রুপ ও আমির গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুটি মামলা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে ধামগড় ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) নাদিম মাছুম ও আহত খলিল মেম্বারের স্ত্রী রোকেয়া রহমান বন্দর থানায় পৃথকভাবে মামলা করেন। 

 গত ১৮ নভেম্বর রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় আধিপত্য বিস্তার ও পরিবহন চাঁদাবাজির টাকা ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বন্দর উপজেলার ফুলহর এলাকার মৃত শরাফত আলী মেম্বারের ছেলে আমির হোসেন গ্রুপের সঙ্গে মদনপুর চানপুর এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার খলিলের গ্রুপের সঙ্গে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বন্দর থানার ওসি আজাহারুল ইসলাম বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশের মামলাটিতে বলা হয়, সন্ত্রাসী আমির গ্রুপের ইউপি মেম্বার খলিলকে কুপিয়ে জখম করলে কে বা কারা মাইকে আহতের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে দেয়। এরপর খলিল মেম্বারের এক হাজার কর্মী-সমর্থক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ি চলাচলে বাধা দেয়। বন্দর থানা পুলিশ হাজির হলে তাদের ওপরও জনতা হামলা চালায়। নারায়ণগঞ্জ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে বন্দর থানার এএসআই শামীম ও কনস্টেবল আক্কাস উদ্দিন গুরুতর আহত হন। এ সময় পুলিশ তিন রাউন্ড টিয়ার শেল ও ১৭ রাউন্ড শটগানের গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। 

মেম্বারের স্ত্রীর মামলার এজাহারে বলা হয়, সিএনজি স্ট্যান্ড নিয়ে বিরোধ থেকে কিছু ব্যক্তি তাঁর স্বামীর ওপর হামলা করা হয়।  হামলাকারীদের মধ্যে আছে প্রতিপক্ষ শামীম ও আমির হোসেন, চানপুর এলাকার নবী হোসেনের ছেলে সোহেল, মৃত কাশেম আলীর ছেলে হানিফ ও তাঁর ছেলে আমির হামজা, মৃত জয়নাল মিয়ার দুই ছেলে আক্তার ও শিবলী নোমান, ফুলহর এলাকার মৃত মোহাব্বত আলীর ছেলে শফিউল্লাহ, মৃত মোজা মিয়ার ছেলে বাবুল, মৃত জয়নাল মিয়ার ছেলে মোশারফ, সাগর মিয়ার ছেলে খোকন, মৃত নুর মিয়ার ছেলে বিল্লাল ও লাঙ্গলবন্দ এলাকার বদু মিয়া। হামলাকারীদের বাধা দিতে গিয়ে চানপুর এলাকার কালাম হোসেন মিয়ার ছেলে সম্রাট (১৮) একই এলাকার হেলাল উদ্দিনের ছেলে শাহাবুল (২২) আহত হন।



মন্তব্য