kalerkantho


মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সিবিএ নেতৃবৃন্দের সাথে খুলনা সিটি মেয়রের বৈঠক

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করতে খুলনা সিটি মেয়রের আহ্বান

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

১৮ নভেম্বর, ২০১৮ ২১:১৮



বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করতে খুলনা সিটি মেয়রের আহ্বান

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ১০টি পদে ২৪ জন কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালীন সিবিএ’র কতিপয় নেতৃবৃন্দের হামলা ও বাঁধার মুখে পরীক্ষা পণ্ড হয়ে যাওয়ার ঘটনায় দুই নেতার নামে মামলা দায়ের হওয়ায় উদ্ভুত পরিস্থিতিতে খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বন্দরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সিবিএ’র নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করেছেন।

আজ রবিবার সকালে বন্দর কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে তিনি এ ঘটনায় কর্তৃপক্ষকে সিবিএ’র নেতৃবৃন্দের ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, এই ইস্যুতে যেন আসন্ন জাতীয় একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগ মুহুর্তে বন্দরে কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। বন্দরের নিয়োগ সংক্রান্ত ছাড়াও অন্যান্য যে সকল সমস্যা রয়েছে তা নির্বাচনের পর সকলের সাথে বসে পর্যায়ক্রমে সমাধানের চেষ্টারও আশ্বাস দেন তিনি।

বৈঠকে সিবিএ’র পক্ষ থেকে মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টি তোলা হলে মেয়র খালেক বলেন, এ বিষয়ে সিবিএ’র নেতৃবৃন্দরা কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ-আলোচনা করেই সমাধানের পথ বের করে নেবেন।

এদিকে মামলার বিষয়ে খুলনার খালিশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশারফ বলেন, মামলার তদন্ত চলছে, তদন্ত পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সকালে খুলনায় নৌ বাহিনীর স্কুলে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর প্রশ্ন পত্র কঠিন করা হয়েছে দাবি করে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম পল্টু ও কার্যকরী সভাপতি নাছির উদ্দিন চৌধুরী কেন্দ্রে হামলা চালানোর পাশাপাশি নিয়োগ কমিটির সদস্যদের লাঞ্চিত করায় পরীক্ষা স্থগিত হয়ে যায়। এরপর ওইদিন রাতেই খুলনার খালিশপুর থানায় সিবিএ’র এই দুই নেতার নামে মামলা দায়ের করেন বন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী ব্যবস্থাপক (কর্ম) কাজী সালাউদ্দিন কবির।

এদিকে মামলা দায়েরের পরও প্রকাশ্যে অফিস করছেন এবং ঘুরে বেড়াচ্ছেন সিবিএ নেতা পল্টু ও নাছির। মামলার বিষয়ে পল্টু বলেন, আমাকে আটক করবে কে, আটক করলে সিবিএ’র সদস্যরাই পোর্ট অচল করে দেব।

পরীক্ষা পণ্ড ও কর্তৃপক্ষের শীর্ষ কর্মকর্তাদের লাঞ্চিতের ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সিবিএর (শ্রমিক কর্মচারী সংর্ঘের)একাংশের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা। তারা অভিযোগ করে বলেন, বর্তমান সিবিএ’র নেতারা কর্মচারীদের স্বার্থ নয়, নিজেদের স্বার্থে কাজ করছেন। নিজ কিংবা আত্মীয়-স্বজনের নামে জায়গা জমি বরাদ্দের পাশাপাশি তাদের কারো কারো নামে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে।



মন্তব্য