kalerkantho


কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের পর

মির্জাপুরে অবৈধ কয়লা কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

১৮ নভেম্বর, ২০১৮ ১৯:৫৩



মির্জাপুরে অবৈধ কয়লা কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কয়লা তৈরির অবৈধ ৬টি কারখানা গুড়িয়ে এবং একটি ড্রেজার মেশিন পুড়িয়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আজ রবিবার বিকেলে উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ৬টি কয়লার কারখানা গুড়িয়ে এবং বংশাই নদীর যোগীর কোফা খেয়া ঘাট এলাকায় একটি ড্রেজার মেশিন পুড়িয়ে দেয়। এ সময় ৩ শ বস্তা কয়লা জব্দ করা হয় বলে জানা গেছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আজগর হোসেন এই অভিযান পরিচালনা করেন। এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামের তোতা মিয়া ও আলহাজ মিয়া দীর্ঘদিন যাবত কাঠ পুড়িয়ে অবৈধভাবে কয়লা তৈরি করে আসছিল। যা ওই এলাকার পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ বিষয়ে ২৯ সেপ্টেম্বর দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকায় ‘মির্জাপুরে ৩৩ কয়লা চুলি’ শিরোনামে সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক ও মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে।

রবিবার বিকেলে মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো. আজগার হোসেনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত রহিমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬টি কয়লা তৈরির কারখানা গুড়িয়ে দেয়। এ সময় ৩ শ বস্তা কয়লা জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় কারখানার মালিক ও শ্রমিকদের আটক করতে পারেনি বলে জানা গেছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের বংশাই নদীর যোগীর কোফা খেয়া ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে নদী থেকে বালু তোলার ড্রেজার মেশিন পুড়িয়ে দেয়। ভ্রমাম্যাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে ড্রেজার মালিক এস এম ইমান আলী পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।

মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আজগর হোসেন জানান, পত্রিকায় সংবাদ দেখে ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৬টি কয়লা তৈরির কারখানা গুড়িয়ে ও একটি ড্রেজার মেশিন পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় ৩ শ বস্তা কয়লা জব্দ করা হলেও কাউকে আটক করা যায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।



মন্তব্য