kalerkantho


'নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা হবে না'

ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি   

১৮ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:৫৪



'নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা হবে না'

ছবি: কালের কণ্ঠ

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার মাটিকোমরা গ্রামে ডাকাত সন্দেহে পুলিশ পেটানোর ঘটনার পর সেখানে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে সমাবেশ করেছে পুলিশ। শনিবার বিকালে উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির উদ্যোগে মাটিকোমরা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

যশোর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) গোলাম রব্বনী (পিপিএম) সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (নাভারন সার্কেল) জামাল আল নাসের, ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক, ঝিকরগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মুকুল, সহ-সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোস্তফা আনোয়ার পাশা জামাল ও সাধারণ সম্পাদক মুছা মাহমুদ। হাজিরবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিন্টুর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) নাজমুল হোসেন, বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মেজবাহ আহমেদ, ঝিকরগাছা থানার এসআই নজরুল ইসলাম, শিত্তরদাহ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সুরঞ্জিত কুমার রায়, আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাড. আব্দুল কাদের আজাদ, মাস্টার এনামুল কবীর,  আবুল কাশেম, মীর বাবরজান বরুণ, আকবর হোসেন জাপানী, নাভারন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজান আলী, শংকরপুর ইউপি চেয়ারম্যান নেছার আলী, হাজিরবাগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা আসাদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান প্রমুখ সাবিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, নির্বাসখোলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক  আলমগীর হোসেন। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যশোর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) গোলাম রব্বনী (পিপিএম) বলেন, কোনো নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা হবে না। গ্রামের সকল পেশার মানুষ নিজ নিজ কাজ করবে। যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে, তদন্তপূর্বক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরো বলেন, পুলিশ কোনোদিনও জনতার শত্রু না। পুলিশের কারণে মানুষ নিরাপত্তা পায়। পুলিশের সার্বিক কাজে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।

উল্লেখ্য, গত ৮ নভেম্বর রাতে মাটিকোমরা গ্রামে ভুয়া ডিবি পুলিশ ভেবে গ্রামবাসী ৪ ডিবি পুলিশের ওপর হামলা চালায়। ওই হামলায় তারা মারাত্মকভাবে জখমের ঘটনায় অন্তত্ব ৫০ জনকে আটক করে পুলিশ। ফলে গ্রামটি পুরুষশূন্য হয়ে পড়ে। 



মন্তব্য