kalerkantho


ইবি শিক্ষকের বিচার চাইলো শিক্ষার্থীরা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১৭ নভেম্বর, ২০১৮ ২০:৫১



ইবি শিক্ষকের বিচার চাইলো শিক্ষার্থীরা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন চালু হওয়া অনুষদ নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ায় এক শিক্ষকের বিচার দাবি করে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা।
 
আজ শনিবার দুপুর ১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে বিক্ষোভ করে তারা। ওই শিক্ষকের নাম আলতাফ হোসাইন রাসেল। তিনি পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। তিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নতুন চালু হওয়া প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন বলে দাবি শিক্ষার্থীদের। তার স্ট্যাটাস ওই অনুষদভূক্ত শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলেও দাবি তাদের।
 
জানা যায়, গত ২১ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাস হওয়া অর্গানোগ্রামের আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ টি অনুষদ ভেঙে ৫ টি করা হয়েছে। এতে ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদকে বিভক্ত করে বিজ্ঞান অনুষদ, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ এবং জীববিজ্ঞান অনুষদ করা হয়।
 
অনুষদের এই বিভক্তি নিয়ে সহযোগী অধ্যাপক আলতাফ হোসাইন রাসেল তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসে এই বিভক্তিকে ভারসাম্যহীন সম্প্রসারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, অর্গানোগ্রামের অজুহাতে এটা একটা বিভক্তি। এটা ভারসাম্যহীন সম্প্রসারণ যা দেখতেই সুন্দর দেখাচ্ছে কিন্তু বাস্তবে ততোটা কার্যকরী হবে না।
 
তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্য্যালয় তার বিভাগের নামগুলো ব্যক্তি বা মানুষের নাম মনে করছেন কিনা বুঝতে পারছি না। ভিতরে কোনো কিছু (সিলেবাস বা শিক্ষকতা যোগ্যতা) পরিবর্তন না করে শুধু নাম বদলে দিচ্ছে।
 
শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের ব্যাপারে আলতাফ হোসাইন রাসেল ফেসবুকে তাৎক্ষণিক এক স্ট্যাটাসে বলেন, এইবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় যে ব্যাপক ব্যর্থতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে। নৈরাজ্য ‘সৃষ্টিকারী সুবধিাভোগীরা’ ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য আমার লেখার একটি অংশকে নিয়ে এইধরনের একটা নাটক মঞ্চস্থ করল।


মন্তব্য