kalerkantho


চিতলমারী-কচুয়ায় রোপা আমনের বাম্পার ফলন

কপিল ঘোষ, চিতলমারী-কচুয়া (বাগেরহাট)    

১৬ নভেম্বর, ২০১৮ ২০:৫৮



চিতলমারী-কচুয়ায় রোপা আমনের বাম্পার ফলন

বাগেরহাটের চিতলমারী ও কচুয়া উপজেলায় রোপা আমন ধান বাম্পার ফলন হয়েছে। ধান কাটার জন্য প্রস্তুত এখন কৃষক। আগের তুলনায় বেড়েছে চাষের জমি। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ধান কাটার ভরা  মৌসুম শুরু হবে বলে জানায় উপজেলা কৃষি অফিস।

কৃষক ও জনপ্রতিনিধিরা জানান, উৎপাদিত ধান রক্ষণাবেক্ষণের জন্য চিতলমারীতে সরকারি গুদাম ঘর ও ক্রয়কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা দরকার। 

কচুয়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শাশ্বতি এদবর কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এবছর পোকা-মাকড়ের আক্রমণ কম থাকায় ব্যাপক উৎপাদন হয়েছে। এ ক্ষেত্রে উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন। কোনো প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে চলতি মৌসুমে প্রায় ২৫ হাজার পাঁচ শ মেট্রিকটন ধান চাষিরা ঘরে তুলতে পারবে। এই ধান হতে ১৭ হাজার ৭ মেট্রিকটন চাল হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।'

তিনি জানান, চলতি মৌসুমে কচুয়া উপজেলায় ছয় হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষ হয়। এর মধ্যে ১৬টি জাতের উচ্চফলনশীল ধান তিন হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে, স্থানীয় ১৪টি জাতের ধান তিন হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে এবং পাঁচ জাতের হাইব্রিড ধান দেড় শ হেক্টর জমিতে। গত বছর চাষ হয়েছিল প্রায় ছয় হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে।

চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঋতুরাজ সরকার বলেন, এই উপজেলায় চলতি আমন ধান ২০ হাজার ৯২০ মেট্রিকটন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। পাঁচ হাজার ২৩০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হয়। যার মধ্যে স্থানীয় জাতের ধান ১২৫ হেক্টর, উচ্চফলনশীল (উফশী) ধান তিন হাজার ৭১৫ হেক্টর এবং হাইব্রিড ধান এক হাজার ৩৯০ হেক্টর।

চিতলমারীর চরবানিয়ারী ইউনিয়নের কৃষক সয়ম্বর সরকার বলেন, কচুয়া উপজেলায় উপজেলায় রয়েছে সরকারী ধান ক্রয়কেন্দ্র। উৎপাদিত ধান বিক্রির জন্য তাদের যেতে হয় কচুয়ায়। এতে তাদের উৎপাদন ব্যায় বেড়ে যায়। তারা ধান কাটা, মাড়াই ও ঘরে তোলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। 

চরবানিয়ারী ইউপি চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল বলেন, ধান ক্রয় ও রক্ষাণাবেক্ষণের জন্য চিতলমারীতে সরকারি গুদামঘর করলে কৃষকের উপকার হবে।  



মন্তব্য