kalerkantho


এসএসসির ফরম পুরণে অতিরিক্ত টাকা ফেরত পেল ১৫২ পরীক্ষার্থী

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

১৩ নভেম্বর, ২০১৮ ২০:২৩



এসএসসির ফরম পুরণে অতিরিক্ত টাকা ফেরত পেল ১৫২ পরীক্ষার্থী

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এসএসসি ফরম পুরণে আদায় করা অতিরিক্ত টাকা ফেরত পেল শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার উপজেলার ভাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ১শ ৫২ জন শিক্ষার্থীকে এই টাকা ফেরত দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, চলতি এসএসসি পরীক্ষার ফরম পুরণের জন্য সরকার নির্ধারিত ফি থেকে মির্জাপুরে অধিকাংশ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে। সরকারের নির্ধারিত ফি বিজ্ঞান বিভাগ ১ হাজার ৮০০, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের জন্য ১ হাজার ৭০০ টাকা। কিন্তু মির্জাপুরের অধিকাংশ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ সরকারি নির্দেশ অমান্য করে ২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করছেন।

একইভাবে ভাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়েও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়। ভাওড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগের ৪২ জন, বাণিজ্য বিভাগে ৫০ জন ও মানবিক বিভাগ থেকে ৬০জন পরীক্ষার্থী সরকার নির্ধারিত ফি’র চাইতে অতিরিক্ত ফি দিয়ে ফরম পুরণ করেন। বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ জানতে পেরে ভাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে মঙ্গলবার ভাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আদায় করা অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেন।

ভাওড়া গ্রামের মাহফুজ জানান, বাণিজ্য বিভাগে তার ছোট বোন বাধনের ফরম পুরণের জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকা জমা দেন। মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী ফিরোজ আল মামুন তাকে ৮০০ টাকা ফেরত দিয়েছেন।

ভাওড়া গ্রামের সখিনা বেগম জাজান, তার মেয়ে কেয়ার জন্য মানবিক বিভাগে ৩ হাজার টাকা দিয়ে ফরম পুরণ করেছিলেন। তাকেও ১ হাজার ৩০০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জানান।

ভাওড়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহমদ আলী জানান, তার নাতী সম্পদের জন্য ৩ হাজার ৫শ টাকা দিয়ে ফরম পুরণ করেছিলেন। তাকেও বিদ্যালয় থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জানান।

ভাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী ফিরোজ আল মামুন জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।

ভাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুল হাসান জানান, বিদ্যালয়ের বকেয়া বেতন ওঅতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছিল। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের নির্দেশে অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।



মন্তব্য