kalerkantho


একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

যশোর-৪ আসনে প্রার্থী হতে চান আওয়ামী লীগ নেতা রাজিব

বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি    

৯ নভেম্বর, ২০১৮ ১৬:১০



যশোর-৪ আসনে প্রার্থী হতে চান আওয়ামী লীগ নেতা রাজিব

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৪ নির্বাচনী এলাকা থেকে কে পাবেন দলীয় প্রতীক নৌকা। কার গ্রহণযোগ্যতা কেমন অথবা কার প্রতি রয়েছে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার আশির্বাদ। এসব প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এ নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে এই নির্বাচনী এলাকা। এসব সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকার অগ্রভাগে রয়েছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা এস এম আলমগীর হাসানের নাম। নির্বাচনকে সামনে রেখে নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এক যুগেরও বেশী সময় ধরে নানা ভাবে তিনি এ নির্বাচনী এলাকার মানুষের সেবা করে চলেছেন। 

আলমগীর হাসান রাজিব ১৯৯০ সালে খুলনা বিএল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ভর্তি হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে প্রবেশ করার পর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়ে একই সংগঠনের পর্যায়ক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন রাজীব। এরপর মেধাবী এই ছাত্রনেতা খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়ে ওই অঞ্চলে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। ২০০০ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত এ সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি। আর কেন্দীয় ছাত্রলীগের খাতায় তার নাম ছিল ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত। এরপর ছাত্রলীগ হয়ে আওয়ামী লীগে জায়গা করে নেন  তিনি। ২০১২ সালে নির্বাচিত হন কেন্দীয় আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক। 

২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসার পর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের রোষানলে পড়েন ছাত্রনেতা রাজীব। শিকার হন মামলা-হামলার। এ সময় কথিত বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় জেলও খাটেন তিনি। শুধু যে রাজনৈতিকভাবে সফল হয়েছেন তা নয়। 

তিনি লেখাপড়ায়ও সফল হয়েছেন। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রী অর্জন করেছেন তরুণ এই আওয়ামীলীগ নেতা। 

আলমগীর হাসান রাজীব বলেন, ‘যশোর-৪ নির্বাচনী এলাকার মানুষের পাশে ছিলাম, আছি থাকব। আমার ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই।

এ সময় বিভিন্ন রাস্তা-ঘাট, মসজিদ-মন্দিরসহ শিক্ষা ক্ষেত্রে নানা উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন তিনি।



মন্তব্য