kalerkantho


টোল বৃদ্ধি করায়

বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতুতে সিএনজি চলাচল বন্ধ, যাত্রীদের দুর্ভোগ

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ০৩:৩২



বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতুতে সিএনজি চলাচল বন্ধ, যাত্রীদের দুর্ভোগ

ছবি: কালের কণ্ঠ

বুড়িগঙ্গা চীন মৈত্রী সেতুতে সিএনজি অরেটারিকশা পারাপারে টোল বৃদ্ধি করায় চীনমৈত্রী সেতু ও আশপাশের সড়কে সোমবার সকাল থেকে সিএনজি চালানো বন্ধ রেখেছে চালকরা। ফলে সিএনজি যাত্রীরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। প্রতিবার সেতু পারাপারে সিএনজি গাড়ির টোল ২৫ টাকা নির্ধারণের প্রতিবাদে চালকরা গাড়ি চালানো বন্ধ রাখায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
 
জানা যায়, বুড়িগঙ্গা সেতু দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার সিএনজি অটোরিকশা কেরানীগঞ্জ থেকে রাজধানীতে চলাচল করে। প্রায় ৩ বছর ধরে সিএনজি থেকে কোনো টোল নেয়া হচ্ছে না। কিন্তু সোমবার সকাল থেকে হঠাৎ করেই প্রতিবার সিএনজি চলাচলে ২৫ টাকা হারে টোল নেয়ার ঘোষণা দেয় ইজারাদার কর্তৃপক্ষ। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে সিএনজি চালকরা। প্রতিবাদে তারা গাড়ি চালানো বন্ধ রেখে সড়ক অবরোধ করে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেয়া হলেও সিএনজি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থী, রোগীসহ সাধারণ লোকজন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কোনো বাহন মিলছে না। ফলে পায়ে হেটেই চলাচল করতে হচ্ছে। অনেকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে কর্মস্থলে যেতে না পেরে ফিরে গেছেন।
 
ঢাকা জেলা ফোর স্টোক অটোরিকশা সিএনজি ড্রাইভার্স ইউনিয়নের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, রোববার পর্যন্ত সিএনজি’র কোনো টোল ছিল না। সোমবার হঠাৎ করেই প্রতিবার পারাপারে ২৫ টাকা হারে টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। একবার সেতুর এপার-ওপার গেলে লাগবে ৫০ টাকা। একটি গাড়ি যদি ১০ বার আপডাউন করে তাহলে ৫০০ টাকা টোল দিতে হবে। এটা কিভাবে সম্ভব? সব খরচ বাদে সারাদিনে একজন চালকের হয়তো ৫০০/৬০০ টাকা থাকে। এখন যদি সেই টাকা টোল দিয়ে দেয়, তাহলে সে খাবে কি? এ জন্য আমরা সিএনজি চালানো বন্ধ রেখেছি। আমরা সেতুতে সিএনজি’র টোলমুক্ত করার দাবি জানাই। অন্যথায় কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। 
 
দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহজামান জানান, সিএনজি গাড়িতে টোল নির্ধারণ করায় চালকরা গাড়ি চলাচল বন্ধ রেখেছে। কেউ কেউ সড়কে ব্যারিকেড দেয়ার চেষ্টা করেছে। আমরা তাদের সরিয়ে দিয়েছে।


মন্তব্য