kalerkantho


রামগতিতে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য, আটক ৩০ জেলে

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি    

২১ অক্টোবর, ২০১৮ ২০:৩৪



রামগতিতে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য, আটক ৩০ জেলে

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লক্ষ্মীপুরের রামগতির মেঘনা নদীতে জেলেরা মাছ ধরছে। এ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতা থাকলেও তা যেন আশানুরূপ কাজে আসছে না। অবস্থাদৃষ্টে বলা চলে, নদীতে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জেলেরা পাহারা দিচ্ছে। এনিয়ে সরকারের উদ্দেশ্য ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে আজ রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার গত ১৫ দিনে ৩০ জেলেকে আটক করা হয়েছে। এরমধ্যে ২৫ জেলের অর্থ ও কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। নদীতে যাওয়া এসব জেলেরা জেল-জরিমানাকে 'পারিবারিক' ছোট বিষয় বলে মনে করেন।

অন্যদিকে জেলেরা বলছেন, তারা আশানুরূপ খাদ্য সহায়তা পাচ্ছেন না। সরকারি যে সহায়তা বরাদ্ধ আসছে তা নিয়েও জনপ্রতিনিধিরা স্বজনপ্রীতি করছে। টাকার বিনিময়ে তারা অন্য পেশার ব্যক্তিদের খাদ্য সহায়তার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করছেন। মহাজনের ঋণের টাকা পরিশোধ ও পরিবারের সদস্যদের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার ভাবনায় বাধ্য হয়েই তারা (জেলেরা) নদীতে যাচ্ছেন।

সূত্র জানায়, ৭ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত লক্ষ্মীপুরের রামগতি থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত মেঘনায় সকল প্রজাতির মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে মাছ শিকারে যাচ্ছে জেলেরা। ভোলা, নোয়াখালী ও রামগতির জেলেরা নদীতে ইলিশ শিকার করছে। এতে রামগতি উপজেলা প্রশাসন, মৎস্যবিভাগ ও কোস্টগার্ড অভিযান চালিয়ে ৩০ জেলেকে আটক করা হয়। এরমধ্যে ৩ জেলেকে অর্থদণ্ড, ২২ জনকে ২০ দিন ও এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপর ৫ জেলের বয়স কম হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রফিকুল হকের ভ্রাম্যমান আদালত এসব আদেশ দেন।

রামগতি উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, জেলেদের সচেতন করতে আমরা ব্যাপকভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছি। আমাদের অভিযান অব্যহত রয়েছে। গত ১৫ দিনে আটক ৩০ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে জেল-জরিমানা করা হয়েছে। 



মন্তব্য