kalerkantho


কচুয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল হাজিরা

চিতলমারী-কচুয়া (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

২১ অক্টোবর, ২০১৮ ১৬:৫৪



কচুয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল হাজিরা

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার ১৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল হাজিরা পদ্ধতি চালু হয়েছে। শিশু, শিক্ষক সকলেই বিদ্যালয়ে আসা ও যাওয়ার সময় মেশিনে আঙুলের ছাপ দিয়ে তাদের হাজিরা নিশ্চিত করছেন। কিন্তু পিছিয়ে রয়েছে চিতলমারী উপজেলা। সেখানে ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটিতেও আধুনিক এ পদ্ধতি চালু হয়নি।

কচুয়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা জানান, এ উপজেলার ৯৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৪টিতে আধুনিক হাজিরা পদ্ধতি চালু হয়েছে। কচুয়া সদর ইউনিয়নের একটি ও বাধাল ইউনিয়নের ১৩টি। বিদ্যালয় ভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা তহবিল হতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসমিন ফারহানা সম্প্রতি মালিপাটন সরকারি বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পদ্ধতির উদ্বোধন করেন।

বাধাল ক্লাস্টারের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মানস তালুকদার কালের কণ্ঠকে বলেন, স্কুলের প্রধান শিক্ষকগণসহ স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির (এসএমসি) সদস্যবৃন্দ শিক্ষা উন্নয়নে আন্তরিক বিধায় এ কাজ সহজে হয়েছে। আশা করি অন্যান্য বিদ্যালয় উদ্যোগী হবে।

তিনি আরো জানান, এ পদ্ধতি স্থাপনের ফলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন উপস্থিতির বিষয়ে অভিভাবকরা মোবাইল বার্তা পাচ্ছেন। একইভাবে পরীক্ষাসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য তথ্য খুব সহজে পাওয়া যাবে।

এদিকে চিতলমারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সম্প্রতি বদলির পর নতুন কেউ সেখানে যোগদান করেননি। অফিসে পাওয়া যায় উচ্চমান সহকারী মো. জুলফিকার আলী আকনকে।

তিনি জানান, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৩) আওতায় এ উপজেলার ১১১টির মধ্যে ১০২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ দেওয়া হয়েছে, বাকী নয়টিতেও দেওয়া হবে। তবে একটি বিদ্যালয়েও ডিজিটাল হাজিরা পদ্ধতি চালু হয়নি। এ পদ্ধতি চালু হওয়া দরকার।



মন্তব্য