kalerkantho


আবাদপুকুর-কালীগঞ্জ সড়কের বেহাল

শাহরুখ হোসেন আহাদ, রাণীনগর (নওগাঁ)    

১৭ অক্টোবর, ২০১৮ ১১:৪৮



আবাদপুকুর-কালীগঞ্জ সড়কের বেহাল

নওগাঁর রাণীনগরের আবাদপুকুর-কালীগঞ্জ সড়কের  প্রায় ১০ কিলোমিটার পাকা সড়কের মাঝে খোয়া উঠে গিয়ে অসংখ্য ছোট-বড় খানা-খন্দ সৃষ্টি হয়েছে। ভাঙাচোরা গর্তে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় সড়কটি দিয়ে চলতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় এলাকাবাসীকে।

সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে স্বল্পকালীন কিছু ইটের পরিত্যক্ত অংশ দিয়ে ভরাট করলেও মেরামতে  দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এই সড়কটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল  অধিদপ্তর থেকে নওগাঁর সড়ক ও জনপদ বিভাগকে গেজেটের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়। এতেই কপাল পোড়ে রাণীনগরবাসীর।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলার আবাদপুকুর চার মাথা থেকে নাটোর জেলার সিংড়ার কালীগঞ্জ ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়কের পাকা কার্পেটিং উঠে যাওয়ায় বৃষ্টির পানিতে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানা-খন্দ। কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে বড় বড় গর্ত ভরাট ও রাস্তা সংস্কার না করায় কাদা-জলে একাকার হয়ে মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানায়।

দেশের উত্তরাঞ্চলের খাদ্য ভান্ডার হিসেবে খ্যাত নওগাঁ জেলা। এই জেলার অন্য উপজেলার মতো রাণীনগর  ধান চাষের জন্য বিখ্যাত  হওয়ায় এই সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত নাটোর-রাজশাহী, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় আবাদপুকুর হাটের দিন ধানবোঝাই শত শত ভারি যানবাহন ট্রাক, ট্রাক্টর, মিনি ট্রাক, ভটভটি-নছিমন, অটোভ্যান চলাচল করে। এতে সড়কটিতে চলাচলের জন্য সমস্যা দিন-দিন আরো প্রকট আকার ধারণ করছে। জেলা শহর নওগাঁ যাওয়ার একমাত্র নির্ভরযোগ্য সড়কটি হওয়ায় শত দুর্ভোগকে উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে যাত্রীদের।

আবাদপুকুর বাজারের বিশিষ্ট ধান ব্যবসায়ী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আবাদপুকুর থেকে কালীগঞ্জ পর্যন্ত সড়কটি অনেক দিন ধরে মেরামত কিম্বা পুনঃনির্মাণ না করায় ১০ কিলোমিটার সড়কটি এখন বিপদজনক খানা-খন্দে ভরা। ধান নিয়ে এই সড়ক দিয়ে ট্রাক কিংবা অন্যান্য যানবাহন চালকরা বেশি ভাড়া দিয়েও যেতে চায় না। তাই আমাদেও ব্যবসার ক্ষতি হয়।

নওগাঁ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হামিদুল হক বলেন, 'সড়কটি পুনঃনির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে দরপত্রের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। খুব শিগগির নিয়োগপ্রাপ্ত ঠিকাদার কাজ শুরু করলে এই দুর্ভোগ কমে আসবে।'

 



মন্তব্য