kalerkantho


বাল্কহেড-লঞ্চ সংঘর্ষ

ধলেশ্বরী নদীতে লঞ্চযাত্রী নিখোঁজ

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৬ অক্টোবর, ২০১৮ ২৩:৫৪



ধলেশ্বরী নদীতে লঞ্চযাত্রী নিখোঁজ

মুন্সীগঞ্জে ধলেম্বরীতে লঞ্চ-বাল্কহেড সংঘর্ষে এক যাত্রী নিখোঁজের খবরে লঞ্চঘাটে মানুষের ভিড়। ফায়ার সার্ভিস আসলেও উদ্ধার অভিযান না চালিয়েই ফিরে যায়। ছবি: কালের কণ্ঠ

মুন্সীগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীতে বাল্কহেড ও লঞ্চের সংঘর্ষে এক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাটের কাছে ধলেশ্বরীতে বালুবাহী বাল্কহেড ধাক্কা দিলে হিরাশিকো-১ লঞ্চ থেকে এক যাত্রী নদীতে পরে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী যাত্রীরা এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী যাত্রী মো. মেহেদী হাসান জানান, নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সীগঞ্জগামী লঞ্চটি ধলেশ্বরীতে আসলে বালুবাহী বাল্কহেড সরাসরি ধাক্কা দেয়। এ সময় ভারসাম্য রাখতে না পেরে লঞ্চের এক যাত্রী পানিতে পড়ে যায়। পানিতে পরে যাওয়া ব্যক্তি বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করলেও লঞ্চের ছুকানী লঞ্চ না থামিয়ে ঘাটে চলে আসে। লঞ্চের ড্রাইভারের অদক্ষতা ও রাতে নিষিদ্ধ বাল্কহেড চালাচলকে তিনি এই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করেছেন।

এ দিকে লঞ্চঘাট থেকে দুইটি ট্রলার তাৎক্ষণিক ছেড়ে গেলেও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি নিখোঁজ ব্যক্তিকে। পরে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস তলব করা হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা রাত হয়ে যাওয়ায় নিখোঁজ ব্যক্তির উদ্ধার কার্যক্রম সকালে চলবে বলে ফিরে যায়।

লঞ্চে থাকা আরেক যাত্রী সাইফুল ইসলাম জানান, বাল্কহেডটি দ্রুতগতিতে এসে লঞ্চকে ধাক্কা দেয়। তিনি বলেন, লঞ্চ চালাতে ছুকানীর অদক্ষতা আর বাল্কহেডের বয়াবাতি না থাকার কারণে প্রতিনিয়ত এমন দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়। লঞ্চে প্রায় দেড়শ যাত্রী ছিল। অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা হয়।  

এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আহম্মেদ জানান, ঘটনাস্থল পরির্দশন করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন চলে আসে। তবে রাত হয়ে যাওয়ায় সকালে উদ্ধার অভিযান চালানো হবে। তাৎক্ষণিকভাবে নিখোঁজ ব্যক্তির নাম পরিচয় জানা যায়নি ও পরিচয় অনুসন্ধানে চেষ্টা চলছে।

অন্যদিকে মুক্তারপুর নৌ পুলিশ ফাড়ির অফিসার্স ইনচার্জ  মো. আমিনুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে নৌ পুলিশ কাজ করছে।



মন্তব্য