kalerkantho


চকরিয়ায় ফুটবল খেলার বিরোধ

অণ্ডকোষ চেপে সহপাঠীকে হত্যার অভিযোগ

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

১৫ অক্টোবর, ২০১৮ ২৩:২৯



অণ্ডকোষ চেপে সহপাঠীকে হত্যার অভিযোগ

নিহত মো. ফখর উদ্দিন। ছবি: কালের কণ্ঠ

ফুটবল খেলার মাঠে কথাকাটির জেরে সহপাঠীকে পিটিয়ে ও অণ্ডকোষ চেপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আরেক সহপাঠীর বিরুদ্ধে। মো. ফখর উদ্দিন (১০) নামের নিহত ওই শিশুর সঙ্গে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডের লাটের ঘাটের বগাইছড়ি খালের চরে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয় সাইফুল ইসলামের (১১)। একপর্যায়ে সাইফুল তাকে আঘাত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

সোমবার রাত ৮টার দিকে মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিস্টান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত ওই শিশুটি মারা যায়।

এর আগে সোমবার বিকেল ৫টার দিকে এলাকার একদল সমবয়সী শিশু খালের চরে ফুটবল খেলতে নামে। খেলার একপর্যায়ে বিরোধ দেখা দিলে দুই সহপাঠী ফখর উদ্দিন ও সাইফুলের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, এক পর্যায়ে সাইফুল ইসলাম পিটিয়ে ও অণ্ডকোষ চেপে ধরলে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ফখর উদ্দিন। এ সময় তাকে উদ্ধার করে মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিস্টান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

নিহত ফখর উদ্দিন বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম মালুম্যা এলাকার হাসমত আলীর ছেলে এবং মালুম্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।

পুলিশ বলছে, সোমবার বিকেল ৫টার দিকে চকরিয়া ও লামার সীমান্তবর্তী এলাকা ডুলাহাজারা ইউনিয়নের লাটের ঘাটের পূর্ব মাইজপাড়াস্থ বগাইছড়ি খালের চরে ফুটবল খেলতে নামে সমবয়সী স্কুলপড়ুয়া একদল শিশু। খেলার সময় ডুলাহাজারার পূর্ব মাইজপাড়ার নুরুল আমিনের ছেলে সাইফুল ইসলামের সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয় নিহত ফখর উদ্দিনের।

পুলিশ আরো জানিয়েছে, সেই বিরোধ একপর্যায়ে মারামারিতে রূপ নেয়। এ সময় মারধর ও অণ্ডকোষ চেপে ধরলে নিস্তেজ হয়ে পড়ে ফখর উদ্দিন। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিস্টান হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টার দিকে মারা যায় ফখর উদ্দিন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনায় জড়িত স্কুল বন্ধু সাইফুল ইসলামকে ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।



মন্তব্য