kalerkantho


শারদীয় দূর্গোৎসব: কচুয়া ও চিতলমারীতে ৪৬টি মন্দির ঝুঁকিপূর্ণ

চিতলমারী-কচুয়া (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৫:২৩



শারদীয় দূর্গোৎসব: কচুয়া ও চিতলমারীতে ৪৬টি মন্দির ঝুঁকিপূর্ণ

বাগেরহাটের কচুয়া ও চিতলমারী উপজেলায় শারদীয় দূর্গোৎসবের প্রস্তুতি চলছে জোরেসোরে। মন্দিরে প্রতিমা গড়তে ব্যস্ত রয়েছেন ভাস্কর্যশিল্পীরা। দুই উপজেলায় ১৯৫টি মন্দিরের মধ্যে ৪৬টি মন্দির ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে বলে জানিয়েছে কচুয়া ও চিতলমারী থানা পুলিশ।

আজ বুধবার কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসমিন ফারহানা কালের কণ্ঠকে বলেন, '৪৩টি মন্দিরে পূজা হবে। এবার গত বছরের চেয়ে একটি মন্দিরের সংখ্যা বেড়েছে। আগামী সোমবার প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা হবে।'

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল কবিরের বরাত দিয়ে এসআই জিল্লুর রহমান জানান, ৪৩টি মন্দিরের মধ্যে ১৫টি ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকি মোকাবেলা করতে পুলিশ প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এদিকে চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অনুকুল সরকার বলেন, '১৫২টি মন্দিরে পূজা হবে, তার মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে ৩১টি। নিরাপত্তার জন্য আনসার ব্যাটেলিয়ান, গ্রাম পুলিশের সমন্বয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।'

চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবু সাঈদের সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় মঙ্গলবার দূর্গোৎসব উদ্যাপনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা অডিটরিয়ামে সকাল এগারটায় অনুষ্ঠিত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাবুল হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক পীযূষ কান্তি রায়, অফিসার ইন চার্জ অনুকুল সরকার, আওয়ামী লীগ নেতা মো. সেখ আতিয়ার রহমান, প্রকল্প কর্মকর্তা সোহাগ ঘোষ, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাফফর উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম রিয়াদ মুন্সি, চরবানিয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল, কলাতলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সিকদার মতিয়ার রহমান, বড়বাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ সরদার, সদর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ নিজাম উদ্দীন, হিজলা ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আজমীর আলী ও শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ অহিদুল ইসলাম কাকা মিয়া, বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণসহ উপজেলার সকল পূজা মণ্ডপের পূজা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ।



মন্তব্য