kalerkantho


তীব্র যানজট

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ফেরি চলছে সীমিত আকারে

অধিকাংশ ফেরি বন্ধ

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি    

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১১:৫৯



শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ফেরি চলছে সীমিত আকারে

১২ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার পর শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে।

আজ বুধবার সকাল ৮টা থেকে হালকা যানবাহন নিয়ে তিন-চারটি ছোট ও মাঝারি ফেরি চলাচল শুরু হয়। এসব ফেরিতে অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মায় ২০ সেন্টিমিটার পানি হ্রাসসহ গত চার দিনে ৯৫ সেন্টিমিটার পানি কমে নাব্যতা সংকট আরো প্রকট আকার ধারণ করেছে। এতে ফেরি চলাচলে বিপর্যয় নেমে আসে।

এদিকে, টানা অচলাবস্থায় উভয় ঘাটে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে যাত্রী ও শ্রমিক দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। এর আগে গত মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ১৫ ঘণ্টা সকল ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল।

বিআইডাব্লিউটিসিসহ একাধিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মার শিমুলিয়া অংশে ২০ সেন্টিমিটার  পানি হ্রাস পেয়েছে। এ নিয়ে গত চার দিনে ৯৫ সেন্টিমিটার পানি কমল। এতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এ নৌরুটের লৌহজং টার্নিংয়ে তীব্র নাব্যতা সংকট দেখা দেয়। পানি কমে যাওয়ায় এবং উজানের নদী ভাঙনের পলি পড়ায় লৌহজং টার্নিংয়ে বড় ধরনের ডুবোচর জেগে ওঠে। ফলে গত চার দিন ধরে নৌযান চলাচলে  চরম বিপর্যয় দেখা দেয়। রবিবার রাতেই বন্ধ করে দেওয়া হয় রো রো ফেরি।

সোমবার সকাল থেকে ৮-৯টি ফেরি কোনমতে হালকা যানবাহন নিয়ে চললেও বিকেলে সকল ফেরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ১৫ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার সকাল ৮টায় ৪-৫টি ছোট ও মাঝারি কে-টাইপ ফেরি হালকা যানবাহন নিয়ে চলাচল শুরু করলেও রাত ৮টার দিক আবারো ফেরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফেরিগুলোর তলদেশ ডুবোচরে ধাক্কা লাগছে। গত মঙ্গলবার দুপুরে কে-টাইপ ফেরি কুমিল্লা ডুবোচরে প্রায় এক ঘণ্টা আটকে ছিল। পরে ভেকু দিয়ে বালু অপসারণ করে ফেরিটি উদ্ধার করা হয়। লৌহজং টার্নিং পয়েন্টে তীব্র স্রোত থাকায় ড্রেজার স্থাপন কঠিন হয়ে পড়ায় সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। ফলে এ রুটের ফেরিগুলোকে ঘাট এলাকায় নোঙর করে রাখা হয়েছে। উভয় ঘাটে আট শতাধিক যানবাহন আটকে যাত্রী ও শ্রমিকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

বিআইডাব্লিউটিসি কাঁঠালবাড়ি ঘাট ব্যবস্থাপক আ. সালাম বলেন, ১২ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর হালকা যানবাহন নিয়ে কয়েকটি ফেরি চলাচল শুরু করা হয়েছে। নাব্যতা সংকট নিরসনে ড্রেজিং চলছে। সংকট নিরসন না হওয়া পর্যন্ত দক্ষিণাঞ্চল থেকে ঢাকাগামী যাত্রী ও যানবাহনগুলো এ রুট বাদ দিয়ে বিকল্প রুট ব্যবহার করলেই ভোগান্তি এড়াতে পারবেন। এ সময়ে তাদের বিকল্প রুট ব্যবহার করা উচিত। 



মন্তব্য