kalerkantho


'ষড়যন্ত্রকারীরা আগামী নির্বাচন বানচালের জন্য ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে'

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০২:১৭



'ষড়যন্ত্রকারীরা আগামী নির্বাচন বানচালের জন্য ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে'

ছবি: কালের কণ্ঠ

আগামী নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হোক একটি মহল তা চায় না। আগামী নির্বাচন বানচালের জন্য কিছু ষড়যন্ত্রকারী ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে, সাধারণ জনগণকে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার জন্য সার্বজনীনভাবে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আগামী একাদশ নির্বাচন এখন থেকে সবাই নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করি। যার যার অবস্থান থেকে ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত করার চেষ্টা করবেন। এসব ষড়যন্ত্রকারীরা আমাদের সন্তানদের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস না শেখানোর জন্য নির্বাচন বানচাল করতে চায়। তারা নির্বাচনকে ভয় পায়। আমরা আশা করি একাদশ নির্বাচন সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশন দেশের জনগণকে একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিবে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের বিপক্ষে যত অন্তরায় সে অন্তরায়গুলো দুর করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান করছি। 

আমরা কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করেছিলাম, বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পরে সেগুলো বন্ধ করে দিয়েছিল। সেগুলো আবার চালু করা হয়েছে। আমরা উন্নয়নশীল দেশ থেকে সামনে এগিয়ে যাচ্ছি। জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে আমরা উন্নত দেশ হবার স্বপ্ন দেখছি। আসুন আমরা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে আগামী নির্বাচনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে নৌকায় ভোট দেই। এই সরকার উন্নয়নের ধারবাহিকতা ধরে রেখেছে। আপনারা আপনাদের বিবেক বিবেচনা করুন ১০ বছর আগে দেশ কি ছিল এখন কত উন্নত হয়েছে কোথায় গিয়েছি আমরা। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে আবারো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতায় আনতে হবে।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়নের নেকরোজবাগস্থ রেডরোজ পার্টি সেন্টারে পুষ্টি চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান দেশে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং সাধারণ জনগণের ক্রয়-ক্ষমতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। সুষম খাদ্য গ্রহণের অসচেতনার জন্য জনগণের মাঝে পুষ্টি সমস্যা বিরাজমান। পুষ্টি সমস্যা দুর করার জন্য বর্তমান সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। 
এর মধ্যে দরিদ্র জনগণের জন্য সরকার কর্তৃক গৃহীত সামাজিক নিরাপত্তা বলয় কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি উল্লেখযোগ্য। কেরানীগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১৮৯০১ জন সাধারণ জনগণকে পুষ্টিচাল বিতরণ করা হয়। এ কর্মসূচির আওতায় সাধারণ জনগণ ১০ টাকায় ৩০ কেজি পুষ্টিচাল উত্তোলন করতে পারবে। ঢাকা জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির বাংলাদেশস্থ প্রতিনিধি রিচার্ড রেগান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে পুষ্টি সমৃদ্ধ খাদ্য প্রাপ্তি এখন একটি অন্যতম সমস্যা। বাংলাদেশে দারিদ্র্যতার হার কমলেও মানুষের দেহে ভিটামিন এ,বি-১,বি-১২, আয়রণ, জিংক, আয়োডিন এবং ফলিক এসিডের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। এ সব ভিটামিনের অভাবে নারী ও কিশোরীদের দেহে এবং একজন মায়ের স্বাস্থ্য ও তার ভবিষ্যত সন্তানের ওপর প্রভাব পড়ে। অপুষ্টি ঘাটতি পূরণে পুষ্টিচালের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ সকল প্রভাবের কথা চিন্তা করে বাংলাদেশ সরকার সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনির আওতায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মাধ্যমে পুষ্টিচাল বিতরণ কার্যক্রম গ্রহণ করছে।

এ জন্য বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির পক্ষ থেকে পুষ্টি সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানেরও আশ্বাস দেন তিনি। সভায় অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আরিফুর রহমান অপু, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহাবুদ্দিন আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহে এলিদ মইনুল আমিন প্রমুখ।



মন্তব্য