kalerkantho


স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর

বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি আজলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৬:৪৪



বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি আজলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গিকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরও কোনো সরকারের আমলেই হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের মংলাপুর আজলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিদ্যুতের কোনো ছোঁয়া এখন পর্যন্ত লাগেনি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের মংলাপুর আজলপুর স্কুলের জন্য ঐ এলাকার হাজী মো. তছর উদ্দিন ৩৭ শতক ভূমি দান করেন। এরপর ১৯৭২ সালে ১৫৩ নং মংলাপুর আজলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ঐ সরকারি স্কুলের ক্লাস রুমের দরজা জানালা অনেক অংশ ভাঙা। পাশাপাশি বিদ্যুৎ না থাকার কারণে শিক্ষক/শিক্ষিকাদের বোর্ডের লেখা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নজরে অসতে অসুবিধা দেখা দিচ্ছে।

এল জি ইডি’র অর্থায়নে গত ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরের বরাদ্দে একটি বিল্ডিংয়ের কাজ সাদিপুরের ঠিকাদারী রিয়াজ আহমদ পান। এতে ঐ বিল্ডিং এর কাজের জন্য ৩৬ লক্ষ, ফার্নিচায়ার এর জন্য ১ লক্ষ ৯০ হাজার, ইলেক্টিক কাজ ৩০ হাজার, ইলেক্টিক ফিটিংস ১ লক্ষ ৩৫ হাজার মিলে মোট ৩৯ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকার কাজ পান ওই ঠিকাদার। একটু দেরীতে হলেও ওই ঠিকাদার ডেক্স, বেঞ্চ দেয় ও বিদ্যুতের কনসিল ওয়ারিং সম্পন্ন করেন। কিন্তু বিদ্যুতের বোর্ড বসাননি কোনো ক্লাস রুমে।

এ নিয়ে শিক্ষক/শিক্ষিকা, অভিভাবক ও স্কুল ম্যানিজিং কমিটির লোকজনসহ শিক্ষানুরাগীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে মংলাপুর আজলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোছা. কুহিনুর বেগম, সহকারী শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন আনহার, ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল আলী, সহ সভাপতি আব্দুল হাই, শিক্ষানুরাগী রেবেকা খাতুন এর সাথে আলোচনাকালে তারা ক্ষোভ নিয়ে বলেন, বিগত ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরের বরাদ্দকৃত কাজটি অদ্যাবধি সম্পন্ন না হওয়ায় শ্রেণিকক্ষ সল্পতার কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মান সম্মত শিক্ষাদান ব্যাহত হচ্ছে।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা এল.জি.ইডি অফিসে বারবার গেলেও ঠিকাদারের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে কিছু করা যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকমণ্ডলী ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যসহ এলাকার শিক্ষানুরাগীরা।



মন্তব্য