kalerkantho


তুরাগ নদী থেকে উদ্ধার হওয়া দুই তরুণীর মরদেহ সনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার (ঢাকা)   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২১:৩৭



তুরাগ নদী থেকে উদ্ধার হওয়া দুই তরুণীর মরদেহ সনাক্ত

আশুলিয়ায় তুরাগ নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া দুই তরুণীর মরদেহ সনাক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার কালের কণ্ঠসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ওই দুই তরুণীর মরদেহ উদ্ধারের সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর দুপুরে নিহতের স্বজনরা মর্গে গিয়ে মরদেহগুলো সনাক্ত করেন।

নিহত দুই তরেণী পরস্পর বান্ধবী। তারা হলেন, আশুলিয়ার ঘোষবাগ এলাকার ইদ্রিস আলীর বাড়ির ভাড়াটিয়া নুরুজ্জামানের মেয়ে সাথী আক্তার সোমা (১৫) ও কোন্ডলবাগ এলাকার মো. হানিফের বাড়ির ভাড়াটিয়া মাসুদ মিয়ার মেয়ে আফরোজা আক্তার হেনা (১৬)।

তারা দু'জনে আশুলিয়ার ঘোষবাগ এলাকায় অবস্থিত ধানমন্ডি রোটারি ক্লাব বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। তাদের মধ্যে নিহত সাথী আক্তার সোমা নবম শ্রেণিতে মানবিক বিভাগে এবং আফরোজা আক্তার হেনা একই শ্রেণিতে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পড়াশুনা করতেন।

ধানমন্ডি রোটারি ক্লাব বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এমারত হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, বুধবার ওই দুই শিক্ষার্থী স্কুলে আসার জন্য বাড়ি থেকে বের হলেও স্কুলে আসেনি। পরে সন্ধ্যায় আশুলিয়া বাজারের পাশে একটি ইটভাটা সংলগ্ন তুরাগ নদী থেকে তাদের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে আশুলিয় থানা পুলিশ।

ওই দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীসহ সবার মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রিজাউল হক দিপু বলেন, নিহতরা দু'জনই বুধবার স্বজনদের সঙ্গে রাগ করে বাসা থেকে বের হয়েছিল বলে জানা গেছে। তবে কীভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই বোঝা যাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা।

প্রসঙ্গত, বুধবার সন্ধ্যায় আশুলিয়া বাজার সংলগ্ন তুরাগ নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ। এর আগে বিকেলে স্থানীয়রা তাদেরকে বিমর্ষ অবস্থায় নদীর পাড়ে বসে কাঁদতে দেখেন। পরে এলাকাবাসী ওই দুই শিক্ষার্থীর ভাসমান মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খরব দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।



মন্তব্য