kalerkantho


জামায়াত-শিবিরের ২৩ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০৪:৩৭



জামায়াত-শিবিরের ২৩ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

দিনাজপুর জেলা জামায়াতের আমিরসহ চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও নড়াইলে অভিযান চালিয়ে জামায়াত-শিবিরের ২৩ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিস্তারিত আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদনে— 

দিনাজপুর জেলা জামায়াতের আমির আনওয়ারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত সোমবার সন্ধ্যায় হাকিমপুর উপজেলার হরিহরপুরে এক ব্যক্তির জানাজা থেকে ফেরার পথে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

হাকিমপুর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, নাশকতা মামলায় ওয়ারেন্ট থাকায় জেলা জামায়াতের আমির আনওয়ারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় শিবিরের ৯ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল দুপুরে দামুড়হুদা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশের দাবি, দামুড়হুদা ইউনিয়ন পরিষদের সভাকক্ষে চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা শরিফুল ইসলাম শিবিরের একদল নেতাকর্মীকে নিয়ে নাশকতার পরিকল্পনা করছেন—এমন খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালায় দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ। এ সময় চেয়ারম্যানসহ কয়েকজন পালিয়ে গেলেও শিবিরের ৯ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়। এ সময় ১০টি ককটেল ও চাঁদা আদায়ের রসিদ উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন দরুদ আলী, হাসান আলী, মোমিনুল ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন, মুসা করিম, ফারুক হোসেন, আব্দুস সামাদ ও শামিম রেজা।

দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাস জানান, আটককৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তা ছাড়া পলাতক চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. আল আমিনকে গত সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আল আমিনের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে।

কসবা থানার এসআই মো. বেলাল হোসেন জানান, মো. আল আমিনকে গতকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
নড়াইলে জামায়াতের ১২ নেতাকর্মীকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। গতকাল দুপরে নড়াইলের আদালত সড়ক থেকে তাঁদের আটক করা হয়।

পুলিশের দাবি, তাঁরা সবাই নাশকতা মামলার আসামি। আবারও শহরে নাশকতার পরিকল্পনা করছিল—এমন সন্দেহে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন আকরাম হোসেন, বায়েজিদ শেখ, মো. ইউসুফ মোল্লা, বাহারুল ইসলাম, মশিয়ার রহমান শিকদার, ফসিয়ার রহমান পাঞ্জু, জাফর মিনা, মো. আল মামুন, মো. শিমুল শেখ, কায়েস উদ্দিন, মফিজুর রহমান ও মো. নজরুল ইসলাম।

আটককৃতদের স্বজনরা জানায়, নাশকতা মামলায় তাঁরা জামিনে রয়েছেন। গতকাল সকালে নিয়মিত হাজিরা শেষে আদালত থেকে বের হলে পুলিশ তাঁদের আটক করে।

নড়াইলের সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) মেহেদী হাসান জানান, আটক ব্যক্তিরা নাশকতার পরিকল্পনা করছিল কি না এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত সে বিষয়ে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



মন্তব্য