kalerkantho


পঞ্চগড়ের শিশু ধর্ষক আব্দুল আজিজ গ্রেপ্তার

পঞ্চগড় প্রতিনিধি   

১৮ আগস্ট, ২০১৮ ২৩:৪৮



পঞ্চগড়ের শিশু ধর্ষক আব্দুল আজিজ গ্রেপ্তার

ছবি: কালের কণ্ঠ

পঞ্চগড়ের আলোচিত প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষক আব্দুল আজিজকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার তাকে ঢাকার শ্যামবাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পঞ্চগড় সদর থানায় নিয়ে আসা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল আজিজ ধর্ষণের দোষ স্বীকার করেছে বলেও জানায় পুলিশ।

পঞ্চগড় সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল জব্বার জানান, ধর্ষণের ঘটনার পরপরই পালিয়ে যায় ধর্ষক আব্দুল আজিজ। সে পালিয়ে কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ ও ফতুল্লা ঘুরে ঢাকায় শ্যামবাজার এলাকায় আসে। আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যামবাজার থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হবে। 

উল্লেখ্য, গত ৮ আগস্ট দুপুরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের মাঝিপাড়া এলাকায় প্রথম শ্রেণির এক শিশুকে ধর্ষণ করে পাশের বাড়ির ভ্যানচালক আব্দুল আজিজ। শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণের শিকার শিশুটির বাবা বাদি হয়ে আব্দুল আজিজকে আসামী করে পঞ্চগড় সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করে। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন শিশুটি বাড়ির পাশেই খেলছিল। এমন সময় পাশের বাড়ির ভ্যানচালক আব্দুল আজিজ (৫০) নিজের বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে শিশুটিকে বাসায় ডেকে নেয়। শিশুটি না যেতে চাইলে তার হাতে ২০ টাকার একটি নোট দিয়ে এক প্রকার টেনে হিচরে বাড়িতে নিয়ে যায় আব্দুল আজিজ। এক পর্যায়ে ওই শিশুটির মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

এ সময় শিশুটির রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায় আব্দুল আজিজ। এদিকে ওই সময় শিশুটির বাবা মাও বাড়িতে ছিল না। শিশুটি রক্তক্ষরণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। ঘটনার কিছুক্ষণ পর কাজ থেকে ফিরলে শিশুটি তার বাবা মাকে সব কথা খুলে বলে।

পরে শিশুটির রক্তক্ষরণ বন্ধ না হলে তাকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে জরুরি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার রক্তক্ষরণ বন্ধ করেন চিকিৎসকরা। বেশ কিছুদিন হাসপাতালে চিকিৎসার নেয়ার পর বর্তমানে শিশুটিকে বাড়ি নিয়ে গেছেন তার অভিভাবকরা। 



মন্তব্য