kalerkantho


গোদাগাড়ীতে আ. লীগের দুই গ্রুপে উত্তেজনা

বেপরোয়া এমপি ফারুক অনুসারীরা, দুই নেতাকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী   

১৮ আগস্ট, ২০১৮ ২৩:২৬



বেপরোয়া এমপি ফারুক অনুসারীরা, দুই নেতাকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

ছবি: কালের কণ্ঠ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে আজ শনিবার সন্ধ্যায়। এ সময় বেপরোয়া এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর অনুসারীরা জেলা আওয়ামী লীগের দুই নেতাকে লাঞ্ছিত করা হয়। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সদস্য মতিউর রহমানের গাড়িও ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

লাঞ্ছিতের শিকার দুই নেতা হলেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম আতাউর রহমান ও জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য পুলিশের সাবেক ডিআইজি মতিউর রহমান। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলা রিশিকুল ইউনিয়নের বিলাসী মোড়ে আওয়ামী লীগের ওই দুই নেতা তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের অনুসারীদের নিয়ে নৌকার পক্ষে গণসংযোগে যান। এদিকে রিশিকুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় এমপি ফারুক ওমর ফারুক চৌধুরীর অনুসারী শহিদুল ইসলাম টুলুসহ তার লোকজন সেখানে উপস্থিত হয়ে মতিউর রহমান ও এ কে এম আতাউর রহমানের। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু। এ সময় এ কে এম আতাউর রহমান খান ও মতিউর রহমানকে শারীরিকভাবে করে চেয়ারম্যান শহিদুল ও তার সমর্থকরা। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার লুৎফর রহমানের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।

এর আগে আলোক ছত্রগ্রামে ওই দুই নেতা জনসংযোগে একইভাবে জড়ো হলে একইভাবে এমপির অনুসারীরা তাঁদের ওপর হামলার চেষ্টা করে।

জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এ কে এম আতাউর রহমান খান বলেন, এমপি যা শুরু করেছে- তা কারো নিকট কাম্য নয়। তার লোকজনকে দিয়ে আমাদের ওপর হামলা করানো হয়েছে। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ গাড়িতে আছি। পরে কথা বলবো।

তবে এমপির অনুসারী স্থানীয় রিষিকুল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, তারা আমাদের না জানিয়ে এলাকায় এসেছিলেন। এ কারণে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের সেখান থেকে তাড়িয়ে দিয়েছেন।

সহকারী পুলিশ সুপার গোদাগাড়ী সার্কেল লুৎফর রহমান বলেন, উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। আমরা সেখানে গিয়ে উপস্থিতি হয়ে নিয়ন্ত্রণ করি। সেখানে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।



মন্তব্য