kalerkantho


বরগুনার বামনায় ছাত্রের ওপর অধ্যক্ষের হামলা

বামনা(বরগুনা) প্রতিনিধি   

১৮ আগস্ট, ২০১৮ ২১:১৩



বরগুনার বামনায় ছাত্রের ওপর অধ্যক্ষের হামলা

বরগুনার বামনায় ডৌয়াতলা ওয়াজেদ আলী খান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. শফিকুল ইসলাম টুকুর বিরুদ্ধে একই কলেজের একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ শনিবার দুপুর ১টায় ডৌলাতলা কাকচিড়া মহাসড়কে কলেজের সন্মুখে এ ঘটনা ঘটে। 

হামলায় গুরুতর আহত ওই ছাত্রের নাম মো. মেহেদী হাসান(১৭)। সে উপজেলার উত্তর কাকচিড়া গ্রামের মো. ফরিদ তালুকদারের ছেলে। 

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে ডৌয়াতলা কাকচিড়া সড়কের পাশে কলেজের সামনে দিয়ে হেটে যাচ্ছিল ওই কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র মেহেদী হাসান। এমন সময় ওই কলেজের অধ্যক্ষ মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ৪/৫ জন প্রভাষক এসে তাকে এলোপাথারি মারধর করে। এ সময় ওই ছাত্র মাটিতে পড়ে গেলে তারা লাথি ও ঘুষি দেয়। এতে ওই ছাত্র গুরুতর আহত হয়। সে সময় তার ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে অধ্যক্ষের হাত থেকে ওই ছাত্রকে উদ্ধার করে। পরে তাকে বামনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এ বিষয়ে আহত শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান জানান, সে ও তার কয়েকজন বন্ধু রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিল। কলেজের ভিতর কারা কোনো ছাত্রকে মেরেছে তা সে জানে না। আচমকা অধ্যক্ষ স্যার গুন্ডা ও মাস্তানের মতো তার ওপর হামলা চালায়। 

আহত শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের মা শাহিনুর বেগম জানান, আমার একমাত্র ছেলেকে বিনা দোষে অধ্যক্ষ মেরেছে। আমি এর বিচার চাই। 

এ প্রসঙ্গে ব্যাপারে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আমার কলেজের আল-আমীন নামে এক ছাত্রকে মেহেদীসহ কয়েকজনে মিলে মারধর করেছে। তাই আমি ২/৩ জন প্রভাষককে নিয়ে তাকে কয়েকটি চড় মেরেছি। তাকে মারার কারণ হলো কেন সে ক্লাশ না করে বখাটেদের সাথে আড্ডা দেয়? তবে তার বিরুদ্ধে এই কলেজের একটি মেয়েকে ইভটিজিং করার অভিযোগ রয়েছে। 

এ ব্যাপারে বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ জি এম শাহ নেওয়াজ বলেন, এ বিষয়ে এখনা কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। আহত শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

  



মন্তব্য