kalerkantho


বকেয়া মজুরি পরিশোধ ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সমাবেশ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি   

১৮ আগস্ট, ২০১৮ ১৮:৪৪



বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সমাবেশ

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ঈদের আগেই বকেয়া মজুরি পরিশোধ এবং শ্রমিকদের ওপর কর্তৃপক্ষের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাবান্ধা স্থল বন্দরের লোড আনলোড কুলি শ্রমিকরা। 

আজ শনিবার দুপুরে এই দাবিতে তারা বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর এলাকায় একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি মহাসড়ক ধরে স্থলবন্দর এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এতে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর লোড আনলোড কুলি শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যরা অংশগ্রহণ করে। পরে সংগঠনটির কার্যালয়ের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর লোড আনলোড কুলি শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি আজাদ আলী, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলম, সাধারণ সম্পাদক মনজু আলী ও অর্থ সম্পাদক আজিজুল ইসলামসহ শ্রমিক নেতারা। 

এ সময় বক্তারা জানান, ৬ আগস্ট রাতে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে লেবার হ্যান্ডেলিংয়ের জন্য নিয়োজিত ইজারা প্রতিষ্ঠান এটিআই লিমিটেডের কাছ থেকে কুলি শ্রমিকদের মজুরি বাবদ ২৪ লাখ ৮৩ হাজার টাকা আদায়ের জন্য এটিআই লিমিটেডের স্থানীয় প্রতিনিধিদের অবরুদ্ধ করে রাখে বন্দর লোড-আনলোডের সাথে সংশ্লিষ্ট দুই শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা। এর মধ্যে এটিআই লিমিটেড শ্রমিকদের মাত্র ১৪ লাখ মজুরি পরিশোধ করে। বাকি টাকা না দেওয়ায় এটিআই লিমিটেড ও বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গেও হাতাহাতিও হয় শ্রমিকদের। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ৯ আগস্ট ১১ জন শ্রমিক নেতাকে আসামি করে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক কাজী আল তারেক। মামলা হওয়ায় গ্রেপ্তার আতঙ্কে শ্রমিকরা এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তারা এই মামলাকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক দাবি করে অবিলম্বে এই মামলা প্রত্যাহার ও ঈদের আগেই শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধের দাবি জানান। দাবি না মানা হলে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরকে অচল করে দেয়ারও হুমকি দেন তারা। 

এ ব্যাপারে বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক কাজী আল তারেক জানান, শ্রমিকরা এটিআইয়ের কাছে টাকা পেতেই পারে। এটা শ্রমিক ও এটিআই লিমিটেডের বিষয়। কিন্তু তারা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের কর্মকর্তা কর্মচারীদের ওপর হামলা করেছে। এমনকি প্রশাসনিক ভবনে ভাঙচুর করেছে। তাই আমরা আইনের আশ্রয় নিয়েছি। 



মন্তব্য