kalerkantho


এগিয়ে চলছে শেরপুর স্টেডিয়ামের কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ

শেরপুর প্রতিনিধি    

১৮ আগস্ট, ২০১৮ ১৭:২৩



এগিয়ে চলছে শেরপুর স্টেডিয়ামের কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ

শেরপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ৩৮ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ এগিয়ে চলছে। গত অর্থবছরের শেষ দিকে শুরু হওয়া শেরপুর স্টেডিয়ামের সার্বিক উন্নয়ন কাজ ইতিমধ্যে শতকরা ৩০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। নির্মাণ কাজ শেষ হলে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ আধুনিক স্টেডিয়াম হিসেবে রূপলাভ করবে। গ্যালারির ধারণ ক্ষমতা হবে ১৬ হাজার। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন প্যাভিলিয়ন নির্মিত হচ্ছে। ইনডোর সুবিধা বাড়বে। এতে স্থানীয়ভাবে নিয়মিত খেলাধুলা অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন ক্রীড়াঙ্গনের সাথে সংশ্লিষ্টরা।

আজ শনিবার দুপুরে সরজমিনে এ নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইইএমডি) উপ-সচিব মুজিবুল ফেরদৌস। এ সময় তিনি কাজের মান ও অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, কোনো মতেই কাজের গুণগত মানে ঘাটতি মেনে নেওয়া হবে না। এজন্য সবাইকে সর্তক থাকতে হবে। 

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জন কেনেডি জাম্বিল, পৌর মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নাজিমুল হক নাজিম, অতিরিক্ত সাদারণ সম্পাদক মানিক দত্ত, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হাকিম বাবুল, টেনিস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক তৈাহিদুর রহমান পাপ্পুসহ জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আইএমডি কর্মকর্তার পরিদর্শনকালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের উপ-সহকারি প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম জানান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণায়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের তত্বাবধানে এই নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। স্টেডিয়ামের এক হাজার ফুট নতুন গ্যালারি সম্প্রসারণ, ৪ তলা আধুনিক প্যাভিলিয়ন ভবন নির্মাণ, ইনডোর জিমনেশিয়াম, মাঠ সংস্কার, ফেন্সিং, সীমানা দেয়াল, ওয়াকওয়ে, ২টি গেইট নির্মাণ, টেনিস কোর্ট উন্নয়ন সহ ৪টি প্যাকেজের স্টেডিয়ামের এই উন্নয়ন কাজ চলছে। গত অর্থবছরের শেষ দিকে শুরু হওয়া উন্নয়ন কাজ শেষ হবে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঢাকার তমা কনস্ট্রাকশন ও কে. এম এন্টারপ্রাইজ এসব উন্নয়ন কাজ করছে। ইতিমধ্যে ৪টি প্যাকেজের কাজই শুরু হয়েছে এবং সার্বিকভাবে শতকরা ৩০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। 

পরিদর্শনের আগে আইইএমডি'র উপ-সচিব স্টেডিয়াম মিলনায়তনে জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভা করেন। সে সময় তিনি ঠিকাদারের কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম কিংবা গুনগত মান খারাপ দেখলে সাথে সাথে তাদের জানানোর অনুরোধ করেন। এ সময় জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তারা পুরানো গ্যালারি এবং পুরানো সীমানা প্রাচীর সংস্কার এবং নতুন আরেকটি গেট তৈরির জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দের দাবি জানান। তিনি বিষয়টি নতুন করে ‘রিভাইস ইস্টিমেট’ করা যায় কীনা দেখবেন বলে জানান। 

জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. নাজিমুল হক নাজিম জানান, ১৯৯৬ সালে শেরপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়ামটি নির্মিত হয়েছিলো। এবার নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ আধুনিক স্টেডিয়াম হিসেবে রূপলাভ করবে। গ্যালারির ধারণ ক্ষমতা হবে ১৬ হাজার। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন প্যাভিলিয়ন নির্মিত হচ্ছে। ইনডোর সুবিধা বাড়বে। এতে স্থানীয়ভাবে নিয়মিত খেলাধুলা অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।



মন্তব্য