kalerkantho


জয়পুরহাটে জমে উঠেছে কোরবানী পশুর হাট

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ আগস্ট, ২০১৮ ১২:৩৬



জয়পুরহাটে জমে উঠেছে কোরবানী পশুর হাট

মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব ঈদ উল আযহা উদযাপনের লক্ষ্যে জয়পুরহাট জেলায় কোরবানীর পশুর হাটগুলোতে কেনা-বেচা জমে উঠেছে।

জেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তর সূত্র মতে, দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোটাতাজাকরণ কর্মসূচীর আওতায় খামারীদের নিকট বর্তমানে ১ লাখ ২৫ হাজার ৪২৫ টি পশু মজুদ রয়েছে। যা দিয়ে জেলার চাহিদা মেটানো সম্ভব। ছোট বড় মিলে জেলায় ১৫ হাজার ১ শ ৯৩ টি পশুর খামারে বিক্রয় উপযোগী মজুদ পশুর সংখ্যা হচ্ছে ষাঁড় ১৬ হাজার ৮শ ৩৩ টি, বলদ ১৭ হাজার ৭ শ ৯৬ টি, গাভী ১৫ হাজার ৫ শ ৭৭ টি, ছাগল ৬৮ হাজার ৯০৮ টি ও ভেড়া রয়েছে ১২ হাজার ৫ শ ১১ টি।

জেলার বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে ক্রেতা বিক্রেতা সূত্রে জানা যায়, সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার থেকে শুরু করে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত গরু কেনা বেচা হয়েছে বলে জানান গরু ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান।

সরকারের নানামূখী আয়বর্ধনমূলক কর্মসূচীর ফলে সাধারণ মানুষ এখন অভাবকে দূরে ঠেলে দিয়ে আর্থিকভাবে সচ্ছলতা পেয়েছে। গরু-ছাগল পালন ও মোটাতাজাকরণ কর্মসূচীর কারণে গ্রাম গঞ্জেও তেমন অভাব দেখা যায় না।

জেলার নতুনহাট, জামালগঞ্জ, পাঁচবিবি, দূর্গাদহ, বটতলী, ইটাখোলা, পুনট, আক্কেলপুর কোরবানীর পশুরহাট ঘুরে দেখা যায়, সামর্থ অনুযায়ী ক্রেতারা তাদের গরু-ছাগল কিনছেন। কেশবপুর গ্রামের নুরল ইসলাম ৫০ হাজার টাকায় ৭৫/৮০ কেজি ওজনের একটি গরু কিনেছেন। বাজারে ১১০ থেকে ১২০ কেজি মাংস হবে এমন গরু বিক্রি হয়েছে ৭৫ থেকে ৮০ হাজার টাকা।

এ ছাড়া প্রতিটি হাটে গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রাণি সম্পদ বিভাগের ভ্যাটেনারি সার্জনের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের টিম সার্বক্ষণিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান জেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মামসুনূর রশীদ। বাজারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় হাট কমিটির পক্ষ থেকে মাইকে সতর্কতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে।

পুলিশ সুপার রশীদুল হাসান বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারী রয়েছে হাটবাজার গুলোতে। হাটবাজার গুলোতে দেশীয় গরুর আমদানী বেশী হলেও ভারতীয় গরু কম দেখা যাচ্ছে। তবে দেশী গরুর চাহিদা বেশি বলে জানান বিক্রেতারা।

দেশের অন্যান্য জেলা বিশেষ করে ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রাম থেকে আগত ব্যবসায়ীরা গরু কিনে ট্রাকে করে নিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।



মন্তব্য