kalerkantho


সিঙ্গাইর কলেজ রোড

অল্প সড়ক, সীমাহীন ভোগান্তি

সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি    

১৭ আগস্ট, ২০১৮ ১৪:০৪



অল্প সড়ক, সীমাহীন ভোগান্তি

বেহাল অবস্থা মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর কলেজ রোডের। পৌরসভার নিয়ন্ত্রণাধীন এক কিলোমিটার পাকা সড়কটির পিচ ঢালাই ও ইট পাথর উঠে কাঁদা পানিতে একাকার হয়ে গেছে। দেখে বোঝার উপায় নেই সড়কটি কাচা না পাকা। সড়ক জুড়ে খানাখন্দ। দীর্ঘদিনেও সড়কটি পূনঃনির্মাণ না করায় স্থানীয় বাসিন্দা ও স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে চলতি বছরেই সড়কটির পূনঃনির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম ভূইয়া জয়।

সিঙ্গাইর উপজেলা পরিষদ থেকে সিঙ্গাইর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ পর্যন্ত সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় এক কিলোমিটার। প্রায় দশ বছর আগে সড়কটি পাকাকরণ করা হয়। এরপর মাঝে মধ্যে ইট সুড়কি ফেলা হলেও বড় ধরণের কোনো সংস্কার কাজ করা হয়নি। বর্তমানে পিচ ঢালাই ও ইট পাথর উঠে সড়ক জুড়ে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলে ভাঙাচোরা সড়কটিতে হাঁটু সমান পানি জমে। তখন জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে রিক্সাসহ যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

প্রতিদিন এই সড়কে সিঙ্গাইর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, সিঙ্গাইর মডেল পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩ সহাস্রাধিক কোমলমতি শিক্ষার্থী নিয়মিত চলাচল করে। এ ছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দা ও পৌর শহরের অবস্থিত সরকারি-বেসরকারি অন্তত ১০-১২ টি প্রতিষ্ঠানের লোকজনের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই সড়কটি। পথচারীরা চলাচলের সময় এক গর্ত থেকে বাঁচতে আরেক গর্তে গিয়ে পড়ছে। অনেক সময় গর্তে আটকে যায় রিক্সাসহ ছোট বড় যানবাহনের চাকা। তখন জনভোগান্তি চরম আকার ধারণ করে।

স্থানীয় স্কুল শিক্ষক জানান, সড়কটি দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে সব চেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে ছোট ছোট স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। কখনো তাঁরা পা পিচলে পড়ে আহত হচ্ছে, আবার কখনো কাদা পানি ছিটকে পড়ে নষ্ট হচ্ছে জামা কাপর ও বই খাতা। বৃষ্টি হলে সড়কটিতে হাঁটু সমান পানি জমে। তখন সড়ক দিয়ে চলাচল করা যায় না।

অটোরিকশা চালক হাবিবুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার ভয়ে এই রাস্তা দিয়ে তেমন একটা যাওয়া হয় না। যাত্রীদের অনুরোধে কখনো গেলে সতর্ক থাকি। অনেক সময় গাড়ি (রিকশা) সড়কে সৃষ্ট গর্তে পড়ে বিকল হয়ে যায়।

সিঙ্গাইর পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম ভূইঁয়া জয় সড়কটির বেহাল অবস্থার কথা স্বীকার করে বলেন, জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে ইট সুরকি ফেলে আপাতত সড়কটি সচল রাখা হয়েছে। চলতি বছরেই ড্রেনসহ সড়কটি পুনঃনির্মাণ করা হবে বলে জানান তিনি।



মন্তব্য