kalerkantho


বিয়েতে রাজি না হওয়ায় স্কুলশিক্ষিকা ও বাবাকে পিটিয়ে আহত

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি    

২২ জুলাই, ২০১৮ ০০:৩৪



বিয়েতে রাজি না হওয়ায় স্কুলশিক্ষিকা ও বাবাকে পিটিয়ে আহত

লক্ষ্মীপুরে বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্কুলশিক্ষকা খাদিজা খানমকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। এ সময় তার বাবাকেও মারধর করা হয়। শনিবার বিকেলে বিদ্যালয় থেকে ফেরার পথে সদর উপজেলার বেড়ির মাথা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে পৃথক ঘটনায় একই সময় তিন মাদরাসা ছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টাকালে দুই যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। সিএনজিচালিত অটোরিকশা যোগে বাড়ি ফেরার পথে সদর উপজেলার টুমচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আটকরা হলেন- টুমচর গ্রামের মোক্তার ও রুবেল হোসেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার খন্দকারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষিক খাদিজা খানমকে কয়েক বছর ধরে সাইদুর রহমান পরান উত্যক্ত করে আসছে। সম্প্রতি তিনি ওই শিক্ষককে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় পরান ক্ষিপ্ত হয়ে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। বাড়ির কাছে পৌঁছলে কয়েক সহযোগীকে নিয়ে পরান খাদিজার গতিরোধ করে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে তাকে তার মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করা হয়। 
এ সময় বাবা সেকান্তর মিয়া মেয়েকে উদ্ধারে এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়। তাদেরকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযুক্ত পরান পৌরসভার পশ্চিম লক্ষ্মীপুর এলাকার জাহাঙ্গীর আলম নয়নের ছেলে। 

অন্যদিকে টুমচর দাখিল মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির তিন ছাত্রী সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় চালক ও মালিকসহ তিনজন ওই সিএনজিতে ছিলেন। তারা ছাত্রীদের গন্তব্যে না নামিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় এক ছাত্রী সিএনজি থেকে লাফিয়ে পড়ে চিৎকার দেয়। স্থানীয়রা বিষয়টি আঁচ করতে পেরে সিএনজিটিসহ দুই যুবককে আটক করে। এ সময় একজন পালিয়ে যান। পরে টুমচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন লোলার সহযোগিতায় তাদের থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মোসলেহ উদ্দিন বলেন, স্কুল শিক্ষকের ঘটনায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ছাত্রীদের ঘটনায় সিএনজিসহ দুইজনকে আটকের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অপরাধীরা পার পাবে না।



মন্তব্য