kalerkantho


বহিরাগতদের হামলায় বিএনপির বিক্ষোভ-সমাবেশ পণ্ড, আহত ১০

নিজস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালী   

২০ জুলাই, ২০১৮ ২৩:২২



বহিরাগতদের হামলায় বিএনপির বিক্ষোভ-সমাবেশ পণ্ড, আহত ১০

ছবি: কালের কণ্ঠ

নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীতে বহিরাগতদের হামলায় বিএনপির পূর্ব নির্ধারিত বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসুচি পণ্ড হয়ে গেছে। শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে নোয়াখালী প্রেস ক্লাব চত্বরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। 

জানা যায়, বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সু-চিকিৎসা ও মুক্তির দাবিতে জেলা বিএনপির উদ্যোগে ওই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বিকেল ৪টার দিকে বিক্ষোভ-সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশে জেলা, সদর উপজেলা বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবন্দের পর বিকেল ৫টার দিকে প্রধান অতিথি জেলা বিএনপির সভাপতি এ জেড এম গোলাম হায়দার বক্তৃতা শুরু করেন। গোলাম হায়দারের বক্তৃতা চলাকালে ১০/১২ জনের একদল যুবক বাঁশের লাঠি ও কাঠের টুকরা নিয়ে অতর্কিতে সমাবেশস্থলে নেতা-কর্মীদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। তাঁরা এ সময় সমাবেশে ব্যবহৃত মাইক ভেঙে ফেলে। সমাবেশস্থলের কাছে থাকা পুলিশ বিএনপির কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ ঘটনায় বিএনপির ১০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছে।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আ্যডভোকেট আবদুর রহমান জানান, খালেদা সুচিকিৎসা ও মুক্তির দাবিতে নোয়াখালী প্রেস ক্লাব চত্বরে বিক্ষোভ-সমাবেশ কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে ছাত্র ও যুবলীগের ১০/১২ জন কর্মী ওই হামলা চালিয়েছে। এ সময় পুলিশ তাঁদের নিবৃত না করে উল্টো ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে বিএনপি-কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তিনি বলেন, হামলায় বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের ২০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। আহতরা হচ্ছে- রাজিব হোসেন, জাকের, সোহাগ, শাহেদ হোসেন, মাহমুদুল হাসান, রাশেদ, সজিব, জাবেদ হোসেন, নাজিম, রায়হান, বিপ্লব, সহিদুল ইসলাম। তাদেরকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

সুধারাম থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) শাহেদ উদ্দিন তবে গুলির করার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিরোধের জের ধরে দলের কর্মীরাই সমাবেশে গন্ডগোল করেছে। পুলিশ তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় পুলিশ কোনো গুলি করেনি।

এদিকে জেলা যুবলীগের আহবায়ক ইমন ভট্র জানান, বিএনপির সমাবেশে যুবলীগ কিংবা ছাত্রলীগের কেউ হামলা করেনি। এটা বিএনপির অভ্যন্তরীণ সমস্যা হতে পারে।



মন্তব্য