kalerkantho


স্বৈরাচারী শাসনের দ্রুত অবসান চায় জনগণ : ড. মোশাররফ

দাউদকান্দি ( কুমিল্লা) প্রতিনিধি   

১৯ জুলাই, ২০১৮ ২২:০৮



স্বৈরাচারী শাসনের দ্রুত অবসান চায় জনগণ : ড. মোশাররফ

জনগণ বর্তমান স্বৈরাচারী শাসনের দ্রুত অবসান চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য এবং মুক্তিযুদ্ধের বীর সংগঠক ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি আরো বলেন, দেশে আজ গণতন্ত্র ও আইনের শাসন নেই। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও বাকস্বাধীনতা নেই। মানুষ বিক্ষুব্দ, অতিষ্ঠ। এক দু:সহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। 

আজ বৃহস্পতিবার কুমিল্লার দাউদকান্দি সদরে তাঁর বাসভবনে আয়োজিত এক কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ড. মোশাররফ এসব কথা বলেন। এ সময় তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির নবনির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ মাহামুদ, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার বিল্লাল হোসেন (সুমন) এবং দাউদকান্দি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি কামরুজ্জামান ফকির ও সাধারণ সম্পাদক হোসেইন তালুকদার শিপনসহ নেতৃবৃন্দরা। 

ড. মোশাররফ বলেন, সরকার বিনা ভোটে ক্ষমতাসীন হয়ে গণতন্ত্র হত্যা করেছে। ভোটাধিকার হরণ করেছে। বিরোধী দল ও মতকে তারা সহ্য করতে পারছে না। দেশের মানুষকে জিম্মি করে স্বৈরাচারী শাসন চালাচ্ছে। তাদের স্বৈরাচারী শাসন আজ আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃত। মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নির্জন কারাগারে আটক রেখেছে। আমাদের দাবি সত্ত্বেও তাকে সুচিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না। এই সরকার যে স্বৈরাচার এটা হচ্ছে তার একটি বড় প্রমাণ। 

বিএনপির এই নীতিনির্ধারক নেতা বলেন, দেশের মানুষকে স্বৈরাচারী দু:শাসন থেকে মুক্তি পেতে হলে জনগণের সরকার প্রয়োজন। এই জন্য দেশে একটি দল নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে। 

তিনি আরো বলেন, সরকার সর্বক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। কোথাও কোনও জবাবদিহিতা নেই। সরকারী কর্মকর্তারা যে যার ইচ্ছামত কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই আজ সর্বক্ষেত্রে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। 

এ সময় ড. মোশাররফ বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি এবং নির্বাচনকালীন দল নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থা দাবি আদায়ের আন্দোলনে শরীক হতে প্রস্তুতি নেবার জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। 
দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সভাপতি একে এম শামসুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যান্যর মধ্যে বক্তৃতা করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন, বিএনপি নেতা আবুল হাসেম, মো: আক্তারুজ্জামান, ছাদেক হোসেন সরকার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহর, জসিম উদ্দিন আহমেদ, রমিজ উদ্দিন লন্ডনী, দেলোয়ার হোসেন মিয়াজী, নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, নুরুল আমিন সরকার নাঈম, আহম্মদ হোসেন তালুকদার, আরিফ মাহামুদ, কাউসার আলম সরকার, খন্দকার বিল্লাল হোসেন সুমন, কাউন্সিলর মোস্তাক আহম্মেদ ও সালাহ উদ্দিন, শরীফ চৌধুরী, বাবুল মোল্লা, কামরুজ্জামান ফকির, হোসাইন তালুকদার শিপন, মো: রোমান খন্দকার, আল আমিন সরকার, আসাদুজ্জামান লিমন, আবদুল বাসেদ ও আইরীন সরকার প্রমূখ। 



মন্তব্য