kalerkantho


সাড়া ফেলছে বাবুর ড্রাগন বাগান

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি    

১৯ জুলাই, ২০১৮ ১৩:৫৪



সাড়া ফেলছে বাবুর ড্রাগন বাগান

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর অসুরখাই গ্রামের একটি ড্রাগন ফলের বাগান পরিদর্শন করেছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক (সরেজমিন উইং) কৃষিবিদ ড. মো. আব্দুল মুয়িদ। বাগানটি করেছেন সজীব সীডসের স্বত্বাধিকারী মো. আহসান-উল- হক বাবু।

জানা গেছে, সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর অসুরখাই গ্রামের আদর্শ কৃষক আহসান -উল - হক বাবু বাড়িসংলগ্ন ৬০ শতক উচুঁ জমিতে এই ড্রাগন ফলের গড়ে তোলেন ২০১৬ সালে। বাগানটিতে এক হাজার ২০০টি গাছ রয়েছে। বাগানটি করতে পাঁচ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে কৃষক বাবুর।

সম্পূর্ণ জৈব প্রযুক্তি ব্যবহার করে গড়ে তোলা বাগানটি থেকে কয়েক দফায় ড্রাগন ফল পাওয়া গেছে। ফলনও মিলেছে আশাতীত।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক (ফিল্ড সার্ভিস উইং) কৃষিবিদ ড. আব্দুল মুয়িদ ড্রাগন বাগানটি পরিদর্শনে আসেন। এ সময় তিনি বাগানটি ঘুরে দেখেন। তিনি বাগানের স্বত্বাধিকারী আহসান-উল-হক বাবুর সঙ্গে ড্রাগন চাষাবাদ, বাজারজাতসহ কৃষির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

এ সময় ইন্টিগ্রেড অ্যাগ্রিকালচারাল অ্যাপ্রোচ ফর ইনসিওরিং নিউট্রেশন অ্যান্ড ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্টের (আইএএনএফপি) পরিচালক কৃষিবিদ মো. মাইদুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. শাহ আলম, নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. আবুল কাশেম আযাদ, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. কেরামত আলী, সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোসা. হোমায়রা মণ্ডল, এলাকার কৃষক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষক আহসান- উল- হক বাবু বলেন, 'আমাদের এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে ভিন্নদেশি ড্রাগন ফলটি তেমন পরিচিত নয়। তাই প্রথমদিকে এটি (ড্রাগন ফল) স্থানীয়ভাবে বাজারজাতে কিছুটা সমস্যা হয়। বর্তমানে রাজধানী ঢাকা ও বিভাগীয় শহর রংপুরের ফল ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে ড্রাগন ফল বাজারে বিক্রি করছেন তিনি।

ইতিমধ্যে বাগানে উৎপাদিত ড্রাগন ফল বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকার মতো পাওয়া গেছে বলে জানান কৃষক বাবু। আর ড্রাগন বাগান ২০-২২ বছর পর্যন্ত ফল দেয়। তাই আগামীতে পুষ্টিগুণ সম্পন্ন বিদেশি ফল ড্রাগন বাগান করে স্বপ্ন পূরণের আশা করছেন তিনি।     



মন্তব্য